চন্দ্রবাবু নাইডুর কেরিয়ার বাঁচালেন প্রশান্ত কিশোরের শিষ্য! সাহায্য করেছেন কেজরিওয়ালকেও
Prashant Kishor: গত শতকে, ১৯৯৫-এর সেপ্টেম্বরে শ্বশুর এনটি রামা রাওকে সরিয়ে অবিভক্ত অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসেছিলেন চন্দ্রবাবু নাইডু। সেই সময়ে তথ্য প্রযুক্তি-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নতির পরেও ২০০৪-এর নির্বাচনে কংগ্রেসের ওয়াই এস রাজশেখর রেড্ডির কাছে ক্ষমতা হারাতে হয়।
তারপর ২০১৪ থেকে ২০১৯-এ ফের মুখ্যমন্ত্রী। মধ্যে প্রায় পাঁচ বছর সময় বাদ দিয়ে অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর পদে গত ১২ জুন শপথ নিয়েছেন চন্দ্রবাবু নাইডু। এবার তাঁর কেরিয়ার বাঁচিয়েছেন প্রশান্ত কিশোরের শিষ্য। আবার প্রশান্ত কিশোরের এই শিষ্যের কাছেই হেরে গিয়েছেন অন্ধ্রপ্রদেশের জগন শিবিরের কৌশল তৈরির দায়িত্বে থাকা পিকের ওপর শিষ্য ঋষিরাজ সিং।

এবার অন্ধ্রপ্রদেশে লোকসভা ও বিধানসভার নির্বাচন একসঙ্গে হয়েছে। চন্দ্রবাবু নাইডুর দল অন্ধ্রপ্রদেশের ১৭৫ টি আসনের মধ্যে ১৩৫ টি আসন পায়। ২০১৯-এর নির্বাচনে তারা পেয়েছিল মাত্র ২৩ টি আসন। চন্দ্রবাবু নাইডুর এই প্রত্যাবর্তনে অনেকেই প্রশংসা করছেন। কিন্তু এই প্রত্যাবর্তনের পিছনে প্রশান্ত কিশোরের শিষ্যের অবদান কিছু কম নয়।
একদিকে যখন সারা দেশে নির্বাচনী কৌশলবিদ হিসেবে সবার কাছে পরিচিত হওয়া প্রশান্ত কিশোর নিজের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার তৈরি করতে জন সুরাজ যাত্রায় ব্যস্ত সেই সময় অন্ধ্রপ্রদেশের কিং মেকার হয়ে গিয়েছেন অপর নির্বাচনী কৌশলবিদ রবীন শর্মা। তিনি অন্ধ্রপ্রদেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। প্রশান্ত কিশোরের আইপ্যাক থেকে আলাদা হয়ে গিয়ে শোটাইম কনসালটেন্সি গঠন করেন রবীন শর্মা। তিনি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকেও সাহায্য করেছেন।
রবীন শর্মার নেতৃত্বাধীন শোটাইম কনসালটেন্সি সমালোচকদের উপহাসে পরিণত হওয়া টিডিপিকে আবার অন্ধ্রপ্রদেশের ক্ষমতায় ফিরিয়ে এনেছেন। এবারের নির্বাচনের ফলাফল চন্দ্রবাবু নাইডুর সমালোচকদের চুপ করিয়েই দেয়নি, বরং ওয়াই-এস জগনমোহন রেড্ডিকেও বড় ধাক্কা দিয়েছে।
টিডিপির জনসংযোগ বাড়তে রবীন শর্মার সংস্থা প্রচার চালিয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ জুড়ে। এর মধ্যে সুপার সিক্ত এবং যুব গালাম নামের যাত্রা উল্লেখযোগ্য। তবে চন্দ্রবাবু নাইডুকে বিভিন্ন সময়ে কখনও ইউনাইটেড ফ্রন্ট আবার কখনও এনডিএ শিবিরে শিবির বদল করতে দেখা গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications