গ্যাসের সংকট মোকাবিলায় তৎপর কেন্দ্র, রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে দেওয়া হলো বড় নির্দেশ
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির তীব্রতার কারণে দেশে বাণিজ্যিক এলপিজি (LPG) সিলিন্ডারের সংকট দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্র রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে তাদের নিজ নিজ এলাকায় এলপিজি সরবরাহের উপর তীক্ষ্ণ নজর রাখতে এবং যে কোনও মজুতদারি বা কালোবাজারি প্রতিরোধ করতে নির্দেশ দিল।
সারা দেশ থেকে গ্যাস সিলিন্ডারের ঘাটতির খবর আসার পর স্বরাষ্ট্র সচিব গোবিন্দ মোহন একটি ভার্চুয়াল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। এতে মুখ্য সচিব, উপভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রকের আধিকারিক এবং ডিজিপি-রা উপস্থিত ছিলেন। মোহন আধিকারিকদের এলপিজি সরবরাহ পর্যবেক্ষণ এবং মূল্যবৃদ্ধি রোধে মজুতদারি ও কালোবাজারি বন্ধের নির্দেশ দেন।

ঘরোয়া এলপিজি বিক্রি ও বিতরণে আইনশৃঙ্খলার কোনও ব্যাঘাত যাতে না ঘটে তা সুনিশ্চিত করতে বলা হয়েছে ডিজিপিদের। মুখ্য সচিবদের পুলিশ ও অন্যান্য আধিকারিকদের কাছ থেকে নিয়মিত রিপোর্ট নিতে এবং কেন্দ্রের নির্দেশাবলি সম্পর্কে পুলিশকে অবহিত করতে বলা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র সচিব জ্বালানি সংকট নিয়ে গুজব ছড়ানো বন্ধে ব্যবস্থা নিতেও বলেছেন।
এই উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে সরকার ও তেল কোম্পানিগুলি সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করেছে যে গার্হস্থ্য এলপিজি সিলিন্ডারের সরবরাহ সুরক্ষিত। ভারত বছরে প্রায় ৩১.৩ মিলিয়ন টন এলপিজি ব্যবহার করে। এর ৮৭ শতাংশ গার্হস্থ্য খাতে, এবং বাকিটা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলিতে ব্যবহৃত হয়। দেশের মোট এলপিজি চাহিদার ৬২ শতাংশ আমদানি করা হয়।
বর্তমানে, আমেরিকা-ইজরায়েল ও ইরানের মধ্যকার সংঘাতের জেরে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ দিয়েই ভারত সৌদি আরব ও কাতারের মতো পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলি থেকে তার মোট এলপিজি আমদানির ৮৫ থেকে ৯০ শতাংশ পেয়ে থাকে।












Click it and Unblock the Notifications