জ্বর-মাথাব্যথা-সহ ১৪ টি FDC ড্রাগের ওপরে নিষেধাজ্ঞা কেন্দ্রের! তালিকায় বহুল ব্যবহৃত ওষুধও
বেশ কিছু এফডিসি অর্থাৎ ফিক্সড ডোজ কম্বিনেশন ওষুধকে নিষেধাজ্ঞার তালিকার এনেছে কেন্দ্র। এর মধ্যে রয়েছে প্যারাসিটামল এবং নিমুসুলাইডের মতো বহুল ব্যবহত ওষুধও। ওই ওষুধগুলি খুব তাড়াতাড়ি রোগ মুক্তি করলেও সেখানে ঝুঁকি রয়েছে। যে কারণে বিশেষজ্ঞ কমিটির মতামতের ওপর নির্ভর করে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক।
এই ওষুধগুলিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করপে কেন্দ্রের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে সরকারে বিশেষজ্ঞ কমিটি গত বছরের এপ্রিলে তাদের রিপোর্ট জমা দিয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছে ওইসব ওষুধ দিয়ে চিকিৎসার কোনও যৌক্তিকতা নেই। যেসব ওষুধকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে, সেগুলি হল,

প্যারাসিটামল + নিমুসুলাইড
ফলকোডাইন + প্রোমিথাজাইন
কোডাইন সিরাপ + ক্লোরফেনিরামাইন
অ্যামক্সিসিলিন + ব্রোমহেক্সিন
সালবুটামল + ক্লোরফেনিরামাইন
ব্রোমহেক্সিন + ডেক্সাট্রোমেথরফান + অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড মেন্থল
প্যারাসিটমল + বোরমহেক্সিন ফেনাইলফ্রাইন + ক্লোরফেনিরামাইন + গুয়াইফেনেসিন
বিশেষজ্ঞ কমিটি রিপোর্টে বলেছে, এফডিসি ওষুধের কোনও যৌক্তিকতা নেই। যে কারণে বৃহত্তর স্বার্থে ১৪ টি এফডিসি তৈরি, বিক্রি কিংবা বিতরণ নিষিদ্ধ করা প্রয়োজন। এরপরেই সরকারের তরফে ড্রাগস অ্যান্ড কসমেটিক্স অ্যাক্টের ২৬এ ধারায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে পারে এফডিসি ওষুধ কী? সহজভাবে বলা যেতে পারে দুই বা তার থেকে বেশি ওষুধ মিশিয়ে যে ওষুধ তৈরি করা হয়, তাকে এফডিসি ওষুধ বলে। অনেকের কাছে এটি ককটেল ওষুধ নামেও পরিচিত। তবে এর আগে ২০২৩৬ সালে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে গঠিত প্যানেল বলেছিল কোনও বৈজ্ঞানিক তথ্য ছাড়াও এইসব অষুধ বিক্রি করা হচ্ছে।
সেই সময় কেন্দ্রের তরফে তিনশোর বেশি ওষুধের মিশ্রণের তৈরি, বিক্রি এবং বিতরণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিল সরকার। বর্তমানে যে ওষুধগুলি নিষিদ্ধ করা হয়েছে, সেগুলি এই সংমিশ্রণের অংশ বলে জানিয়েছে বিশেষজ্ঞরা।












Click it and Unblock the Notifications