Election 2024: কর্ণাটকে কংগ্রেসের অন্দরে বিদ্রোহ! পদত্যাগের হুমকি একাধিক বিধায়কের
Election 2024: কর্ণাটকে অস্বস্তিতে পড়েছে কংগ্রেস। নির্বাচনে টিকিট পাওয়া নিয়ে জলঘোলা হয়। সেই ঘোলা জলই অনেক দূর গড়ালো। জানা গিয়েছে, পাঁচ বিধায়ক ও দুই এমএলসি (বিধান পরিষদের সদস্য) টিকিট বিপর্যয়ের কারণে পদত্যাগ করার হুমকি দিয়েছেন।
খাদ্য ও বেসামরিক সরবরাহ মন্ত্রী কে এইচ মুনিয়াপ্পার এক আত্মীয়কে কোলার কেন্দ্র থেকে দল টিকিট দিয়েছে। আর তারপর থেকেই শুরু হয়েছে এই ক্ষোভ। "দাস হতে পারবেন না।" এমনই দাবি করেছেন বিক্ষুব্ধ বিধায়করা। এমনই মত জানান, কর্ণাটকের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী ডাঃ এমসি সুধাকর।

পরিবারতন্ত কি এই রাজ্যেও সামনে এসে গেল? নির্বাচনের আগে এই ঘটনা কতটা সমস্যার মধ্যে ফেলে দেবে কংগ্রেসকে? সেই প্রশ্ন উঠছে। মুনিয়াপ্পা পরিবারের দাস হতে তাঁরা রাজি নন। এই বার্তাই দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ, পার্টি পরিবারের মধ্যে টিকিট বিতরণ করে।
সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সুধাকর বলেন, "আমরা চাই দলের অন্য লোকেরাও সুযোগ পান। আমরা আজ পরে মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়ার সঙ্গে কথা বলব। তিনি (মুনিয়াপ্পা) যখন এখানে ছিলেন, তখন আমরা তাঁর কাজের অসুবিধার সম্মুখীন হয়েছি। নির্বাচনী এলাকায় একটি সাধারণ অনুভূতি রয়েছে। তফসিলি জাতি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করা হচ্ছে না।" ওই পরিবারের নয়। অন্য প্রার্থীর দাবি তোলা হচ্ছে ওই কেন্দ্রে।
অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিধায়করা। বিধানসভা স্পিকারের সঙ্গে দেখা করা, পদত্যাগের কথাও দলীয় হাইকমান্ডকে জানানো হয়েছে। হাইকমান্ড তাদের মতামত শোনেন। কিন্তু দাবিতে কর্ণপাত করেননি বলে অভিযোগ।
৮ মার্চ এই রাজ্যে কংগ্রেসের প্রথম প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়। ২১ মার্চ, কংগ্রেস কর্ণাটকের ১৭ জন প্রার্থীর দ্বিতীয় তালিকা ঘোষণা করেছে। দলের সভাপতি মল্লিকার্জুন খার্গের জামাই ও অন্য পাঁচ মন্ত্রীর সন্তানদের নাম রয়েছে সেখানে।
কংগ্রেসের অন্দরে দ্বন্দ্ব যথেষ্ট প্রকট হয়েছে। পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে? তাই নিয়ে চর্চা চলছে। কর্ণাটকে দুই দফায় ২৬ এপ্রিল ও ৭ মে ভোট হবে।












Click it and Unblock the Notifications