প্রমাণ ছাড়া স্বামীকে ব্যভিচারী বা মাতাল বলা নিষ্ঠুরতার সামিল! মানহানির মামলায় পর্যবেক্ষণ বম্বে হাইকোর্টের
প্রমাণ ছাড়া স্বামীকে ব্যভিচারী বা মাতাল বলা নিষ্ঠুরতার সমতুল্য! মানহানির মামলায় পর্যবেক্ষণ বম্বে হাইকোর্টের
কোনও প্রমাণ ছাড়াই স্বামীকে ব্যভিচারী এবং মদ্যপ বলা নিষ্ঠুরতার সমান। স্বামীর করা মানহানির মামলায় এমনটাই পর্যবেক্ষণ বম্বে হাইকোর্টের। এব্যাপারে পুনের দম্পতির বিয়ে ভেঙে দেওয়া নিয়ে পারিবারিত আদালতের রায়ও বহাল রেখেছে বম্বে হাইকোর্ট।

হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের রায়
গত ১২ অক্টোবর বম্বে হাইকোর্টের বিচারপতি নীতিন জামদার এবং বিচারপতি শর্মিলা দেশমুখের ডিভিশন বেঞ্চের তরফে পুনের ৫০ বছর বয়সী মহিলার আবেদন খারিজ করে দেওয়া হয়। যেখানে ওই মহিলা ২০০৫ সালের নভেম্বরে পারিবারিক আদালতের স্বামীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছিলেন।

মহিলার অভিযোগ ও হাইকোর্টের অবস্থান
ওই মহিলা অভিযোহ করেছিলেন তাঁর স্বামী একজন ব্যভিচারী এবং মদ্যপ ছিলেন। যে কারণে তিনি বৈবাহিক অধিকার থেকে বঞ্চিত। এব্যাপারে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ বলেছে, এক্ষেত্রে স্ত্রী স্বামীর বিরুদ্ধে অযৌক্তিক এবং মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। যা সমাজে তাঁর স্বামীর খ্যাতি নষ্ট করেছে। যা নিষ্ঠুরতার সমান বলেও মন্তব্য করা হয়েছে হাইকোর্টের তরফে। হাইকোর্টের তরফে বলা হয়েছে ওই মহিলা নিজের বক্তব্য ছাড়া তাঁর অভিযোগের সমর্থনে বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ আদালতের সামনে রাখতে পারেননি।

স্ত্রী পরিবারের থেকে আলাদা করেছেন
পারিবারিক আদালতে স্বামীর দেওয়া বক্তব্যের উল্লেখ করে হাইকোর্ট বলেছে, স্ত্রী স্বামীকে সন্তান ও নাতি-নাতনিদের থেকে আলাদা করেছেন। ওই ব্যক্তির আইনজীবী আদালতে জানিয়েছেন, অভিযোগকারী মহিলা, স্বামীকে মিথ্যা ও মানহানির মতো অভিযোগ করে তাঁকে মানসিকভাবে নির্যাতন করেছেন।

মহিলার স্বামী গত হয়েছেন
এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, ওই মহিলার স্বামী একজন অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মী। বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা হাইকোর্টে বিচারাধীন থাকা অবস্থায় ওই ব্যক্তি মারা যান। এরপর আদালতের তরফে আইনগত উত্তরাধিকারীকে এই মামলায় বিবাদী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।












Click it and Unblock the Notifications