শিক্ষায় পিছিয়ে বাংলা! ভর্তিশুন্যের তালিকায় শীর্ষে, কেন এই হাল? কী জানাচ্ছেন ব্রাত্য বসু?
আবারও শোরগোল বাংলায়। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে বাংলায় প্রায় কয়েক হাজার স্কুলে ছাত্রছাত্রী ভর্তির সংখ্যা শুন্য। দেশের আট হাজার স্কুলে কোনও ছাত্রছাত্রী ভর্তি হয়নি কিন্তু স্কুলগুলিতে শিক্ষকের সংখ্যা প্রায় ২০ হাজারেরও বেশি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের এমনই একটি রিপোর্ট উল্লেখ করে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা। রিপোর্ট অনুসারে, এই সমস্ত ভর্তিশূন্য স্কুলের তালিকায় সর্বপ্রথম রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। স্কুলগুলিতে কর্মরত শিক্ষকের সংখ্যা পশ্চিমবঙ্গে সবচেয়ে এগিয়ে থাকার পরেও ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে বাংলায় ৩,৮১২টি স্কুলে কোনো ছাত্রছাত্রী ভর্তি হয়নি। এইসমস্ত ভর্তিশূন্য ৩,৮১২টি স্কুলে মোট ১৭,৯৬৫ জন শিক্ষক কর্মরত। কিন্তু কেন এমন হাল বাংলার? শিক্ষার ক্ষেত্রে অনীহা নাকি রাজনৈতিক কোনও কারণ? রিপোর্ট প্রকাশের পর চিন্তিত বাংলার মানুষ। এই বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুকে প্রশ্ন করলে তিনি যা জানান, তাতে সাধারণ মানুষ মোটেই খুশি নন। তিনি জানান, এই রিপোর্ট নাকি মিথ্যায় ভরা।

কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের রিপোর্ট অনুসারে, সারা দেশের মধ্যে ৭,৯৯৩টি স্কুলে ২০২৪-২৫ সালের শিক্ষাবর্ষে কোনো ছাত্রছাত্রী ভর্তি হয়নি। তবে, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে দেশে ভর্তিশূন্য স্কুলের সংখ্যা ছিল ১২,৯৫৪। ভর্তিশূন্যর ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের পরেই রয়েছে তেলঙ্গানা। এরপরের তালিকাতেই ছিল মধ্যপ্রদেশ, যেখানে ভর্তিশূন্য স্কুলের সংখ্যা ছিল ৪৬৩টি। রিপোর্ট বলছে, তেলেঙ্গানা ও মধ্যপ্রদেশের স্কুলগুলি ওই বছর কোনো ছাত্রছাত্রী ভর্তি না হলেও শিক্ষকরা কর্মরত ছিলেন। তেলেঙ্গানায় কর্মরত ছিলেন ১,০১৬ জনশিক্ষক এবং মধ্যপ্রদেশে কর্মরত ছিলেন ২২৩ জন শিক্ষক।
বাংলার শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বিজেপি কে মিথ্যেবাদী বলে দাবি করেছেন। তাঁর বলা কথা অনুসারে, গত কয়েক দশক ধরে রাজ্য সরকার বাংলায় অনেকগুলি স্কুল তৈরি করার সঙ্গে সঙ্গে যেসব স্কুল গুলিতে সংস্করণের প্রয়োজন ছিল সেগুলোও সংস্কার করেছে। শিক্ষাকে সুনিশ্চিত করতে রাজ্য সরকার বিবিভিন্ন প্রকল্প, স্কলারশিপও এনেছে। তিনি বলেছেন, " শেষ শিক্ষাবর্ষেই রাজ্য সরকার সাড়ে পাঁচ লক্ষেরও বেশি পড়ুয়াকে স্কলারশিপ প্রদান করেছে। UDISE কোডগুলি সরকারি স্কুল ও বেসরকারি স্কুল উভয়ের জন্যেই বরাদ্দ। সুতরাং স্কুলগুলো ভর্তিশূন্য হওয়ার কোনো দায় রাজ্য সরকারের নয় এবং এখন স্কুলগুলি ভর্তিশূন্য আছে মানে যে আগামী দিনেও তাই থাকবে তার কোনো মানে নেই। যেসমস্ত স্কুল গুলিতে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা কম সেইসমস্ত স্কুলগুলি থেকে ছাত্রছাত্রীদের ও শিক্ষকদের অন্যান্য কাছাকাছি স্কুলগুলিতে স্থানান্তর করা হয়েছে"।












Click it and Unblock the Notifications