উত্তরপ্রদেশে বিজেপির শোচনীয় হার, ব্র্যান্ড যোগী কি ধাক্কা খেল লোকসভা ভোটে?
উত্তরপ্রদেশে বিজেপির শোচনীয় হার। লোকসভা নির্বাচনে 'রাম রাজ্যে' কার্যত হোঁচট খেল গেরুয়া শিবির। যোগী আদিত্যনাথের উপর কি এবার দায় পড়বে? ধাক্কা খাবে যোগী আদিত্যনাথের ব্র্যান্ড ভ্যালু? প্রশ্ন উঠছে।
মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ রাজ্যজুড়ে প্রচার করেছেন। তাঁর আক্রমণাত্মক মন্তব্য ছিল হিন্দুত্ববাদের উপর। উত্তরপ্রদেশে রাম মন্দির তৈরি হয়েছে। সেই প্রচারও জোর গলায় হয়েছে ভোটের আগে। বিরোধী দলগুলিকে প্রচারে কোণঠাসা করতে সংখ্যালঘু তুষ্টির কথাও বলা হয়েছে।

কেবল উত্তরপ্রদেশেই যোগী আদিত্যনাথ ১৭০ টি জনসভা করেছেন। এছাড়াও আরও অন্যান্য রাজ্যে জনসভা ছিল তাঁর। অন্যান্য বিজেপি নেতাদের মধ্যে যোগী আদিত্যনাথের চাহিদা বেশি ছিল গেরুয়া শিবিরের প্রচারে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নির্বাচনী সমাবেশে আদিত্যনাথের প্রশংসা করেছেন। রাজ্যে অপরাধীদের দমন করা, রাজ্যে হিন্দুদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থানগুলির 'হারানো' গৌরব পুনরুদ্ধার করার জন্য তাঁকে অভিনন্দন জানান।
কিন্তু লোকসভা ভোটের ফল বেরোতেই উলটো ছবি দেখা গেল৷ ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের ফলের কোনও প্রতিচ্ছবি দেখা গেল না। বরং ধস নামল বিজেপির লোকসভা আসনে। উত্তরপ্রদেশের ক্ষেত্রে যোগী আদিত্যনাথের উপরে এর প্রভাব যথেষ্ট পড়বে। মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একটা অংশ।
মহারাষ্ট্রেও বিজেপি খারাপ ফল করেছে। মহারাষ্ট্রের উপ মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের পদত্যাগ দাবি করা হয়েছে। সেই একই দাবি উঠতে পারে যোগী আদিত্যনাথের বিরুদ্ধেও। ওয়াকিবহাল মহল এই কথা মনে করছে।
২০২২ সালে উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন হয় ব্যাপক সংখ্যায় জয় পেয়েছিল বিজেপি বিপুল প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন যোগী আদিত্যনাথ৷ কিন্তু দুই বছরের মধ্যেই সব যেন উলোটপালোট হয়ে গেল।
যোগী আদিত্যনাথ অপরাজেয়। এই কথা আর খাটলো না। এমনই মনে করছে বিজেপির একটা অংশ। দলের খারাপ পারফরম্যান্সের জন্য যোগী আদিত্যনাথকে দায়ী করা উচিত নয়। এ কথাও বলছে আরও একটা পক্ষ।
উত্তরপ্রদেশে বিজেপির মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হয়েছে। ব্রিজভূষণ সিং, তার ছেলে সহ একাধিক বিরুদ্ধ নাম উঠে আসছে। বিজেপির একটা অংশ তাদের ভালোভাবে গ্রহণ করেনি। একথাও মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications