কর্নাটকে বিধান পরিষদের নির্বাচন: ফের পর্যুদস্ত কংগ্রেস! প্রথমবারের জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেল বিজেপি
ফের এক নির্বাচনে বিজেপির (BJP) থেকে পিছিয়ে পড়ল কংগ্রেস (Congress)। কর্নাটকের (Karnataka) বিধান পরিষদের (Legistalive Council) ২৫ আসনের নির্বাচনে বিজেপি পেয়েছে ১২ আসন। এক্ষেত্রে গেরুয়া শিবিরই সব থেকে বেশি আসন পেয়েছে।
ফের এক নির্বাচনে বিজেপির (BJP) থেকে পিছিয়ে পড়ল কংগ্রেস (Congress)। কর্নাটকের (Karnataka) বিধান পরিষদের (Legistalive Council) ২৫ আসনের নির্বাচনে বিজেপি পেয়েছে ১২ আসন। এক্ষেত্রে গেরুয়া শিবিরই সব থেকে বেশি আসন পেয়েছে। এই ফলের নিরিখে বিজেপি কর্নাটক বিধান পরিষদে সংখ্যা গরিষ্যতা পেয়েছে। ১০ ডিসেম্বর এই নির্বাচন হয়।

প্রথমবারের জন্য বিজেপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা
এই নির্বাচনে আসন সংখ্যার নিরিখে এদিয়ে থেকে প্রথমবারের জন্য কর্নাটক বিধান পরিষদেরপ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেল বিজেপি। ১০ ডিসেম্বরের ২৫ আসনের নির্বাচনে বিজেপি পেয়েছে ১২ টি আসন। কংগ্রেস ১১ টি। একটি করে আসন পেয়েছে জেডিএস এবং নির্দল প্রার্থীরা। এই জয়ে বিধান পরিষদে বিজেপির আসন সংখ্যা ৩২ থেকে বেড়ে হল ৩৮। অন্যদিকে কংগ্রেসের আসন সংখ্যা ২৯ থেকে কমে হয়েছে ২৬। জেডিএস-এর ১২ থেকে কমে হয়েছে ৯।

আগের নির্বাচনের বেশি আসনে জিতেছিল কংগ্রেস
এর আগে কর্নাটক বিধান পরিষদের নির্বাচন হয়েছিল ২০১৫ সালে। সেই সময় বিজেপি পেয়েছিল ৬ টি আসন। কংগ্রেস ১৪ টি এবং জেডিএস জয়ী হয়েছিল ৪ টি আসনে। একটি আসন গিয়েছিল নির্দলদের দখলে। এবারের ২৫ আসনের নির্বাচনে বিজেপি ও কংগ্রেস ২০ টি করে আসনে প্রার্থী দিয়েছিল, জেডিএস প্রার্থী দিয়েছিল ছটি আসনে। এই নির্বাচনে ভোট দিয়েছিলেন, মূলত গ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্যরা।

ধোঁয়াশাজনক অবস্থানেই হার জেডিএস-এর
এই নির্বাচনে মাইসোর এলাকা কংগ্রেসের কাছে হারিয়েছে জেডিএস। অন্যদিকে কংগ্রেস ডেজিএস-এর কাছে হেরেছে টুমকুরু, কোলার এবং মান্ড্যতে। এবার জেডিএস প্রার্থীদের হারের কারণ হিসেবে উঠে আসছে, তাদের ধোঁয়াশাজনক অবস্থান, বিজেপির সঙ্গে জোট করবেন কি করবে না! এই নির্বাচনে বিজেপির বড় হার হয়েছে বেলগাভিতে। দক্ষিণ কানাডা বাদ দিয়ে ডাবল মেম্বার কনস্টিটিউয়েন্সিগুলিতে কংগ্রেস প্রার্থীরা সব থেকে বেশি ভোট পেয়েছেন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বিজেপি।

বহু আসনেই জয়ী পরিচিত নেতাদের আত্মীয়-পরিজনরা
এবারের নির্বাচনে বহু আসনেই জয়ী হয়েছেন পরিচিত নেতাদের আত্মীয়-পরিজনরা। তালিকায় রয়েছেন, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিধায়ক জগদীশ শেট্টারের ভাই প্রদীপ শেট্টার, প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী দেবেগৌড়ার নাতি এইচডি রাবনা, কংগ্রেস বিধায়ক তথা প্রাক্তন মন্ত্রী এমবি পাতিলের ভাই সুনীল গৌড়া পাতিল, কংগ্রেস বিধায়ক লক্ষ্মী হেব্বালকরের ভাই চান্নারাজ হাত্তিহোলি, বিজেপি নেতা এবং প্রাক্তন বিধান পরিষদের চেয়ারম্যান ডিএইচ শঙ্করমূর্তির ছেলে ডিএস অরুণ।
যদিও এই নির্বাচনে পিছিয়ে পড়ে জেডিএস নেতা এইচডি কুমারস্বামী অভিযোগ করেছেন কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে আঁতাতের। জেডিএসকে শেষ করতেই দুদলের আঁতার হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications