সাগরদিঘির জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা! বায়রনের দলবদল নিয়ে তৃণমূলকে বিঁধলেন জয়রাম রমেশ
সোমবার বায়রন বিশ্বাসের দলবদল নিয়ে তৃণমূলকে নিশানা করেছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। আর এদিন সেই ঝাঁঝ আরও বাড়ালেন সনিয়া-রাহুলের কাছের বলে পরিচিত এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক তথা কংগ্রেস মুখপাত্র জয়রাম রমেশ। তিনি বলেছেন, তৃণমূলের এই কাজ কেবল বিজেপির উদ্দেশ্যকেই পূরণ করবে।
এদিন টুইটে জয়রাম রমেশ বলেছেন, তিন মাস আগে সাগরদিঘিতে কংগ্রেসের ঐতিহাসিক বিজয়ের পরে বায়রন বিশ্বাসকে লোভ দেখিয়ে দলে টেনেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এটা সাগরদিঘির মানুষের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। আগে এই ধরনের দলবদল গোয়া, মেঘালয় এবং ত্রিপুরায় হয়েছে বলেও স্মরণ করিয়েছেন তিনি।

জয়রাম রমেশ তৃণমূলকে নিশানা করে বলেছেন, এই ধরনের পদক্ষেপ কখনই বিরোধী জোটকে শক্তিশালী করতে পারে না। এই ঘটনা শুধুমাত্র বিজেপির উদ্দেশ্যকেই সফল করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। জয়রাম রমেশের এই মন্তব্য ১২ জুন পটনায় বিরোধী জোটের বৈঠকের আগে যথেষ্টই তাৎপর্যপূর্ণ বলে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

সোমবার ঘাটালে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নব জোয়ার কর্মসূচিতে গিয়ে তৃণমূলের পতাকা হাতে তুলে নেন সাগরদিঘি উপনির্বাচনে কংগ্রেসের টিকিটে জয়ী বায়রন বিশ্বাস। তিনি বলেন, তৃণমূলের টিকিট না পেয়ে কংগ্রেসের টিকিটে নির্বাচনে লড়াই করেছিলেন। বায়রন বিশ্বাস নিজেকে তৃণমূলের বলেই দাবি করেছিলেন।
বায়রন বিশ্বাস অভিযোগ করেন, অধীর চৌধুরী শুধু তৃণমূলের বিরুদ্ধেই কথা বলছেন, কিন্তু বিজেপির বিরুদ্ধে কথা বলছেন না। তাঁর জয়ে কংগ্রেসের কোনও ভূমিকা ছিল না বলেই দাবি করেন তিনি। তাঁর এই কথার সঙ্গে সাগরদিঘি মডেলকেও অস্বীকার করেছেন বায়রন বিশ্বাস।
অন্যদিকে যে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী সাগরদিঘি জয়ের পরে বলেছিলেন তৃণমূলকেও হারানো যায়, তিনমাস পরে সেখানেই তিনি বললেন, বায়রনের এই সিদ্ধান্তে মানুষের রায়কেই অস্বীকার করা হয়েছে। বায়রনের দলবদলে কংগ্রেসের কোনও ক্ষতি হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।
সিপিআইএমের তরফে বিকাশ ভট্টাচার্য বলেন, বামেরা সাগরদিঘিতে বায়রনের সমর্থনে নয়, তৃণমূল ও বিজেপির বিরুদ্ধে প্রচার করেছিল। সেখানে মানুষ তৃণমূল ও বিজেপির বিরুদ্ধে বিরোধী জোটকে ভোট দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন তিনি।












Click it and Unblock the Notifications