বিজয় মালিয়ার ঋণের দ্বিগুণ বাজেয়াপ্ত করেছে ব্যাঙ্কগুলি, ৬২০৩ কোটির পরিবর্তে বাজেয়াপ্ত ১৪,১৩১ কোটি
পলাতক ব্যবসায়ী বিজয় মালিয়া সংক্রান্ত মামলায় বড়সড় সাফল্য ভারতের সরকারি ব্যাঙ্কগুলির। কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের সাম্প্রতিক ২০২৪-২৫ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মালিয়ার সঙ্গে যুক্ত মোট ১৪,১৩১.৬ কোটি টাকার সম্পদ উদ্ধার করা হয়েছে, যা ২০১৭ সালে ঋণ আদায় ট্রাইব্যুনালের (ডিআরটি) নির্দেশিত ৬,২০৩ কোটির দ্বিগুণেরও বেশি।
বর্তমানে যুক্তরাজ্যে দেউলিয়া মামলায় লড়াই করছেন বিজয় মালিয়া। তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, "অবশেষে, ৬,২০৩ কোটির ডিআরটি রায়ের বিরুদ্ধে ১৪,১৩১.৮ কোটি টাকা আদায় স্বীকার করা হয়েছে। এই তথ্যই হবে আমার দেউলিয়া বাতিলের আবেদনের প্রমাণ। এখন ভাবছি, ব্যাঙ্কগুলি ইংলিশ আদালতে কী বলবে"।

অর্থ মন্ত্রকের বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পলাতক অর্থনৈতিক অপরাধী আইনের আওতায় বিজয় মালিয়া সহ মোট ১১ জনের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED) এর পদক্ষেপে এই সম্পদগুলি পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
ভারত ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দেশের কাছে মোট ৪৪টি প্রত্যর্পণের অনুরোধ পাঠিয়েছে, যার মধ্যে ৩৬ জন অভিযুক্ত অন্তর্ভুক্ত। যুক্তরাজ্যের আদালতেও কিছু হাই-প্রোফাইল মামলায় প্রত্যর্পণের অনুমোদন মিলেছে বলে জানিয়েছে মন্ত্রক।
২০১৭ সালে ডিআরটি-এর বেঙ্গালুরু বেঞ্চ মালিয়া এবং তার সংস্থাগুলির কাছ থেকে ৬,২০৩ কোটি টাকা (১১.৫% বার্ষিক সুদ সহ) আদায়ের নির্দেশ দেয়, যা স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (SBI) নেতৃত্বাধীন কনসোর্টিয়ামের পক্ষে ছিল। তবে তার আগেই, ২০১৬ সালের মার্চে মালিয়া ভারত ছেড়ে যুক্তরাজ্যে পালিয়ে যান। তার বিরুদ্ধে প্রায় ৯,০০০ কোটি টাকার ঋণ খেলাপি হওয়ার অভিযোগ ছিল।
মালিয়া আগেও দাবি করেছেন, তিনি সম্পূর্ণ ঋণ মিটিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন, কিন্তু সরকার বা ব্যাঙ্ক সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেনি। এদিকে, ভারত সরকারের পক্ষ থেকে বারবার যুক্তরাজ্যের কাছে তার প্রত্যর্পণ দাবি করা হয়েছে।
এই বছরের ফেব্রুয়ারিতে, লন্ডনের একটি আদালত SBI-র নেতৃত্বাধীন কনসোর্টিয়ামের যুক্তি শুনেছিল, যারা কিংফিশার এয়ারলাইন্সের ঋণের প্রায় ১.০৫ বিলিয়ন GBP আদায়ের দাবি করেছে। আর তারপর এই অর্থ বাজেয়াপ্ত বিশাল বড় পদক্ষেপ বলে মনে করছেন অনেকেই।
বিজয় মালিয়া মামলায় এই বিপুল পরিমাণ সম্পদ পুনরুদ্ধার ভারত সরকারের আর্থিক অপরাধ দমন নীতির বড় সাফল্য হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে। তবে মালিয়ার প্রত্যর্পণ এবং সম্পূর্ণ বিচার প্রক্রিয়া এখনও পর্যন্ত শেষ হয়নি, যা আগামী দিনে ভারতের আর্থিক ও কূটনৈতিক কৌশলের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত












Click it and Unblock the Notifications