Bangladesh Protests: বিক্ষোভ অব্যাহত! বাংলাদেশে এখনও আটকে প্রায় ৪ হাজার ভারতীয় ছাত্র, জানিয়েছে বিদেশমন্ত্রক
বাংলাদেশ প্রতিবাদ: নিরাপত্তাকে কেন্দ্র করে অস্থির বাংলাদেশ। জনগণ থেকে এখনও ৯৭৮ জন ছাত্র ছাত্র ফিরে এসেছেন বলে এদিন বিদেশমন্ত্রক। বিভিন্ন বন্দর দিয়ে ভারতে দেখতে পেয়েছেন।
প্রদর্শন খবর সংখ্যা অনুযায়ী, এদিন সকাল পর্যন্ত নীতি সংরক্ষণের প্রতিবাদে প্রতিবাদে সরকার শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদে নিরাপত্তা জোর ও ছাত্র লিগের সঙ্গে সংঘর্ষে মারামারির এক শো করতে পারব। সাধারণের সংখ্যা অনেক।

এদিন বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ৯৭৮ জন ভারতীয় বিভিন্ন স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে ফিরেছেন। প্রায় ২০০ ছাত্রছাত্রী ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিমানবন্দর দিয়ে নিয়মিত বিমানে দেশে ফিরেছেন। ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন এবং সহকারী হাইকমিশনে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
বিদেশমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, সেখানে এখনও প্রায় চার হাজার ভারতীয় ছাত্রছাত্রী রয়েছেন। বিদেশমন্ত্রক আরও জানিয়েছে, নেপাল ও ভূটানের ছাত্রছাত্রীদের অনুরোধে তাঁদেরকে ভারতে প্রবেশে সহায়তা করা হয়েছে।
Update on return of Indian Nationals in Bangladesh:https://t.co/uR41LSSc7O pic.twitter.com/GRWIWJAAiu
— Randhir Jaiswal (@MEAIndia) July 20, 2024
ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন এবং চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট ও খুলনায় সহকারী হাইকমিশনগুলি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনার পর থেকে ভারতীয় নাগরিকদের দেশে ফিরতে সহায়তা করছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে ভারতীয়দের আন্তর্জাতিক সীমান্তের ক্রসিং পয়েন্টগুলিতে নিরাপদে নিয়ে যাওয়ার বন্দোবস্ত করা হয়েছে। সড়কপথে দেশে ফিরতে চাওয়া ভারতীয় ছাত্রদের জন্য এসকর্টের বন্দোবস্তও করা হয়েছে।
বিদেশ মন্ত্রকের তরফে আরও জানানো হয়েছে, ভারতীয় নাগরিকদের দেশে ফেরা মসৃণ করতে বিমান, স্থলবন্দর এবং বিএসএফের সঙ্গেও সমন্বয় করা হয়েছে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিমানবন্দর দিয়ে বিমান পরিষেবা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের অসামরিক বিমান পরিবহণ কর্তৃপক্ষ এবং বাণিজ্যিক এয়ারলাইন্সগুলির সঙ্গেও সমন্বয় করা হয়েছে।
বাংলাদেশে এই মুহূর্তে সরকারি চাকরিতে ১৯৭১-এর স্বাধীনতার যুদ্ধে লড়াই করাদের আত্মীয়দের জন্য ৩০ শতাংশ সংরক্ষণ রয়েছে। বর্তমানে ছাত্রছাত্রীরা এই সংরক্ষণের অবসানের দাবি করেছে। তাঁরা বলছে এই ব্যবস্থাটি বৈষম্যমূলক।
এই প্রতিবাদ আবার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে দুটি পুরনো এবং সংবেদনশীল রাজনৈতিক ফ্রন্টলাইন খুলে দিয়েছে। একটি হল ১৯৭১-এ স্বাধীনতার জন্য লড়াই করা এবং অপরটি পাকিস্তানের সঙ্গে সহযোগিতা করা।
এদিকে শুক্রবার রাত থেকে বাংলাদেশ জুড়ে কার্ফু জারি করা হয়েছে। রাজধানী ঢাকায় সব ধরনের জমা.য়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বাংলাদেশ সরকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখতে শহরগুলিতে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামি লিগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, অসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করতে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications