অযোধ্যায় ঐতিহাসিক দীপোৎসবে ফের বিশ্বরেকর্ড, পৌরহিত্যে যোগী আদিত্যনাথ
দীপাবলির আগে অযোধ্যা নতুন করে ইতিহাস রচনা করল। টানা নবমবারের মতো দীপোৎসবের বিশ্ব রেকর্ড স্থাপন করে। এই ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী রইলেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
এদিন সন্ধ্যা ৬টা ৩৯ মিনিটে, রামনগরী অযোধ্যা দীপাবলি উৎসবে দীপমালায় সেজে ওঠে। শ্রীরামের আগমনকে স্মরণ করে রাম কি পৈড়ী ৫৬টি ঘাটে ২৯ লক্ষ প্রদীপ জ্বালিয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড তৈরি করা হয়। ড্রোন গণনার পর গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস দল আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা করেছে।

দীপোৎসব শুরুর আগে, রামকথা পার্কে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ প্রভু শ্রীরামের রাজ্যাভিষেক সম্পন্ন করেন। তিনি লক্ষণ, ভরত, শত্রুঘ্ন এবং গুরু বশিষ্ঠের আরতি ও তিলকও করেন। এই সময় পুরো পার্কে "জয় শ্রীরাম" ধ্বনি অনুরণিত হয়।
দীপোৎসব চলাকালীন আরও একটি বিশ্ব রেকর্ড সৃষ্টি হয়। সেখানে ২১০০ জন বেদাচার্য একই সঙ্গে সরযূ নদীর আরতি করেন। এটি যোগী সরকারের দ্বিতীয় ধারাবাহিক রেকর্ড। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভক্তরা এই মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখতে অযোধ্যায় ভিড় জমান।
দীপাবলির পরে এক বর্ণিল আতশবাজি ও ড্রোন শো ভক্তদের মুগ্ধ করে তোলে। হাজার হাজার মানুষ ঘাট এবং রাস্তায় এই প্রদর্শনী দেখার জন্য জড়ো হন। নিরাপত্তার জন্য ১০ হাজারেরও বেশি নিরাপত্তা কর্মী মোতায়েন করা হয়েছিল, যাতে এই বিশাল ইভেন্ট সফল ও সুরক্ষিত হয়েছে।
অযোধ্যাকে ১৮টি জোন এবং ৪২টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। পিএসি, আরএএফ, এটিএস, বিডিএস এবং স্থানীয় পুলিশ প্রতিটি কোণায় নজর রাখে। রাম কি পৈড়ী এবং রামপথের পাশের বাড়িগুলির ছাদে সশস্ত্র সৈন্যরা মোতায়েন ছিল। অ্যান্টি-মাইন দল, ব্যাগেজ স্ক্যানার এবং ফায়ারফাইটিং দলও সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।
আধিকারিকরা পুরো অনুষ্ঠানস্থল পরিদর্শন করেন এবং ব্যবস্থার পর্যালোচনা করেন। শ্রীরামের আগমন এবং আলোর এই অনন্য উৎসব আবারও প্রমাণ করেছে যে অযোধ্যা কেবল একটি শহর নয়, এটি বিশ্বাস এবং সংস্কৃতির রাজধানী। রাম নগরীর এই ঐতিহাসিক রাত বিশ্বজুড়ে সমাদৃত হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications