মন্দিরের পিলারেই তৈরি হয়েছে জ্ঞানবাপী মসজিদ! ASI এর রিপোর্ট তুলে ধরে দাবি আইনজীবীর
Gyanvapi Mosque Case: জ্ঞানবাপী মসজিদ (Gyanvapi Mosque) এর নীচে বিশাল একটি মন্দির ছিল। আর সেই মন্দিরের বেশ কিছু নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে। এমনটাই চাঞ্চল্যকর দাবি আর্কিওলজিকাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার (ASI)। আদালতের নির্দেশে জ্ঞানবাপী মসজিদে সমীক্ষা চালায় গবেষকরা।
আর তাতেই এহেন তথ্য উঠে এসেছে। আর সেই সংক্রান্ত রিপোর্ট আগেই জেলা আদালতে (Gyanvapi Mosque Case) মুখবন্ধ খামে জমা পড়ে। আর তা হিন্দু এবং মুসলিম পক্ষের আইনজীবীদের হাতে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার তা প্রকাশ্যে এসেছে।

আর এরপরেই একাধিক জল্পনা (Gyanvapi Mosque Case) তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে গত কয়েকদিন আগেই অয্যোধ্যায় রামমন্দিরের উদ্বোধন হয়েছে। আবেগে ভাসছে গোটা দেশ। আর এর মধ্যেই প্রকাশ্যে এল আর্কিওলজিকাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার এই রিপোর্ট।
এই প্রসঙ্গে হিন্দুদের পক্ষের আইনজীবী বিষ্ণু শংকর জৈন জানান, ASI রিপোর্ট বলছে জ্ঞানবাপী মসজিদের নীচে হিন্দু মন্দির ছিল। আর সেই কাঠামো পাওয়া গিয়েছে। এমনকি ওই কাঠামোর উপরেই মসজিদটি তৈরি হয়েছে বলে সমিক্ষার রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিষ্ণু শংকর জৈন।
আইনজীবী বলেন, বিজ্ঞানসম্মত ভাবে জ্ঞানবাপী মসজিদটির পিলার এবং অন্যান্য বিষয়গুলি পরীক্ষা করে আর্কিওলজিকাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া। আর তাতে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। আর তা সমস্তটাই ওই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে বলে বিষ্ণু শংকর জৈনের।
শুধু তাই নয়, পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে কাঠামো অর্থাৎ পিলারগুলি এখনও ঠিক আছে। আর সেই পিলারের একাংশকে ব্যবহার করেই মসজিদের বড় একটা ঘর তৈরি হয়েছে বলেও দাবি সমীক্ষায়। এমনকি মন্দিরের বিরাট কেন্দ্রীয় ঘর ছিল, সেই সংক্রান্ত প্রমাণও সমীক্ষায় সামনে এসেছে বলে হিন্দু পক্ষের ওই আইনজীবীর।
Varanasi, Uttar Pradesh | Advocate Vishnu Shankar Jain, representing the Hindu side, gives details on the Gyanvapi case.
— ANI (@ANI) January 25, 2024
He says, "The ASI has said that based on the scientific studies survey carried outstudy of architectural remains, exposed features and artefacts… https://t.co/fKsoyRViHV pic.twitter.com/LKscLiieX5
শুধু তাই নয়, মসজিদ চত্বরে স্বস্তিক চিহ্ন, সাপ, দেবতার চিহ্ন, পদ্ম ফুলের চিহ্ন, ঘণ্টা চিহ্ন, ওম লেখা চিহ্ন, খণ্ডিত মূর্তি ও মন্দিরের ভাঙা স্তম্ভের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গিয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। বিষ্ণু শংকর জৈন জানান, প্রায় ৮৩৯ পাতার সার্ভে রিপোর্ট জমা দিয়েছে আর্কিওলজিকাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া।
অন্যদিকে সুত্রের খবর, দীর্ঘ ৯২ দিন ধরে এই সমীক্ষার রিপোর্ট (Gyanvapi Mosque Case) তৈরি করা হয়েছে। ছবি, ভিডিও, থ্রিডি ছবি এবং বেশ কিছু ক্যামিকাল পদ্ধতিতে পাওয়া প্রমাণের ভিত্তিতেই এই রিপোর্ট তৈরি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জ্ঞানবাপী মসজিদের প্রত্যেকটি জায়গা খতিয়ে দেখেই এই রিপোর্ট তৈরি করেছে বলেও জানা গিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications