অরুণাচলে তুষারধসে নিঁখোজ জওয়ানদের মধ্যে ৭ জনের নিথর দেহ উদ্ধার, শোকপ্রকাশ রাষ্ট্রপতির
অরুণাচলে তুষারধসে নিঁখোজ জওয়ানদের মধ্যে ৬ জনের নিথর দেহ উদ্ধার, খোঁজ চলছে বাকি একজনের
অরুণাচল প্রদেশে যে সাতজন ভারতীয় সেনা তুষারধসে আটকে পড়েছিলেন তাঁদের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ইতিমধ্যে তাঁদের দেহ উদ্ধার হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত ৬ ফেব্রুয়ারি অরুণাচল প্রদেশের কামেং সেক্টরের উঁচু এলাকায় তুষারধসে আটকে পড়েন ভারতীয় সেনার সাতজন জওয়ান। ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ।

ভারতীয় সেনার পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে যে তুষারধসের এলাকা থেকে দেহগুলিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়েছে। সেনার পক্ষ থেকে আকাশপথে জওয়ানদের খোঁজ চালানো হয় এবং উদ্ধারকারী দল সেখানে পৌঁছায়। দিনকয়েক ধরে যে এলাকার আবহাওয়া দুর্যোগপূর্ণ ছিল। তুষারপাতও হচ্ছিল। সোমবার সেনার তরফে জানানো হয়েছিল, তাঁরা টহলদারি দলের সদস্য ছিলেন। তুষারধসের পর থেকে তাঁদের খোঁজ মিলছিল না। তাঁদের খোঁজে শুরু হয়েছিল উদ্ধারকাজ। নিখোঁজ জওয়ানদের সন্ধানে আকাশপথে বিশেষ দলকে উড়িয়ে আনা হয়েছিল। মঙ্গলবার সেনার তরফে জানানো হয়েছে, সাতজনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
প্রসঙ্গত, শীতকালের মাসগুলিতে উত্তর–পূর্ব দেশের অরুণাচল প্রদেশের উঁচু এলাকাগুলিতে সেনাদের টহল দেওয়া বেশ কঠিন হয়ে পড়ে। তার কারণ তুষারধস, তুষারপাত ইত্যাদি। এর আগেও একাধিক সেনা প্রাণ হারিয়েছেন এভাবে। ২০২০ সালের মে মাসে একটি টহলদারী এবং তুষার পরিষ্কার করা দল তুষারধসের মুখে পড়েছিল। মারা গিয়েছিলেন দুই জওয়ান। গত বছরের অক্টোবরে উত্তরাখণ্ডের মাউন্ট ত্রিশূলে তুষারধসে নৌবাহিনীর পাঁচ আধিকারিক আটকে পড়েছিলেন। একটি অভিযানে গিয়েছিলেন তাঁরা। পরে তাঁদের দেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে সরকার সংসদে জানিয়েছিল, ২০১৯ সালে সিয়াচেন হিমবাহে তুষারপাত এবং তুষারধসের কারণে মোট ছয়জন জওয়ান মারা গিয়েছিন। দেশের অন্যত্র এই ধরনের ঘটনায় মোট ১১ জন জওয়ান নিহত হয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications