Lok Sabha Election: ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে কঠোর কমিশন, গণনার পরও একাধিক রাজ্যে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী
শনিবার লোকসভা ভোটের শেষ হয়েছে। বিগত কয়েক মাস ধরেই গণতন্ত্রের যে উৎসব শুরু হয়েছে তার সমাপ্তি হয়েছে গতকালই। এবার অপেক্ষা ফলাফলের। মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট ১৬ মার্চ কার্যকর হয়েছিল, সেদিন ভারতের নির্বাচন কমিশন লোকসভা নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছিল। সাত দফায় ভোট পর্ব মেটার পর আগামী মঙ্গলবার ফলাফল প্রকাশিত হবে।
অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে ভোট মিটলেই বিভিন্ন রাজ্য থেকে বাহিনী সরানোর কথা ভাবছে না কমিশন। ৪ জুন লোকসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা। ফল ঘোষণারও আরও কিছুদিন বেশ কিছু রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। ভোট-পরবর্তী হিংসতার রুখতে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। ৪ জুন গণনার দিন পেরিয়ে বিভিন্ন রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে যাতে তাদের এবং কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের দ্বারা প্রদত্ত মূল্যায়নের ভিত্তিতে কোনও ঘটনা রোধ করতে সুবিধা হয়।

নির্বাচন কমিশন সূত্রের খবর অনুসারে, ভোটের ফলাফল প্রকাশের পর অন্ধ্রপ্রদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গে ১৫ দিনের জন্য নিরাপত্তা বাহিনী দেওয়া হয়েছে। একইভাবে উত্তর প্রদেশ, ওড়িশা, সিকিম এবং অরুণাচল প্রদেশে গণনার পর দুই দিন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনী দেওয়া হয়েছে। লোকসভা নির্বাচনের পাশাপাশি, অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশা, সিকিমেও বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, সেখানেও থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী।
এই রাজ্যে মোট ৭ দফা নির্বাচনে এখনও পর্যন্ত প্রায় সাড়ে নশো কোম্পানি জওয়ান মোতায়েন রয়েছে। ১ জুন, শেষ দফা ভোটের পর প্রায় অর্ধেক বাহিনীকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে জানা গিয়েছে কমিশন সূত্রে। ৪০০ কোম্পানি বাহিনীকে রেখে দেওয়া হবে রাজ্যে। প্রাথমিকভাবে সিদ্ধান্ত হয়েছিল ৬ জুন পর্যন্ত থাকবেন বাহিনীর জওয়ানরা। তার মধ্যে বিএসএফ, সিআরপিএফ, এসএসবি-র একাধিক ব্যাটেলিয়ন থাকবে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে রাজ্য ভোট পরবর্তী হিংসার একটা নজির রয়েছে। ফলে স্পর্শকাতর এলাকাগুলিতে আরও ১৫ দিনের জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনী রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
লোকসভা নির্বাচনের পরও রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে মোতায়েন থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। ২০২১ সালে বিধানসভা নিবার্চনের পর রাজ্যজুড়ে হিংসার ঘটনা ঘটেছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এখনও সেই ঘটনা সম্পর্কিত মামলা চলছে আদালতে। এবার অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতেই আগাম সতর্কতা অবলম্বন করছে নির্বাচন কমিশন।
ভোট পরবর্তী সময়ে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখাই সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ হয় প্রশাসনের কাছে। বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে রাজনৈতিক হিংসা হয়। কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকলে সেটা আচটাতে সুবিধা হয়।












Click it and Unblock the Notifications