Tamil Nadu: “আমাদের খোঁচা না দিয়ে উত্তর ভারতে নজর দিন,” নানা ইস্যুতে কেন্দ্রকে বিঁধলেন স্ট্যালিনের মন্ত্রী
Tamil Nadu: কেন্দ্রকে নিশানা তামিলনাড়ুর ডিএমকে সরকারের একের পর এক মন্ত্রীর। এবার কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হলেন তামিলনাড়ুর তথ্য প্রযুক্তি ও ডিজিটাল পরিষেবা বিষয়ক দফতরের মন্ত্রী পালানিভেল থিয়াগা রজন। কেন্দ্রকে ডিলিমিটেশন ইস্যু ও জাতীয় শিক্ষানীতি ইস্যুতে বিঁধলেন তামিলনাড়ুর শাসকদলের নেতা। ডিলিমিটেশন নিয়ে মন্ত্রীর সাফ বক্তব্য, বিভিন্ন রাজ্যে জনগণের প্রদত্ত করের অঙ্কও আলাদা। তাই চাইলেই ডিলিমিটেশন করা যাবে না বলে হুঁশিয়ারি তাঁর।
দ্য ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস সংবাদমাধ্যমের একটি অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, বিজেপি সরকার কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পর প্রত্যেক বরাদ্দে মাত্র ১ টাকা যদি তামিলনাড়ু পেয়ে থাকে, তাহলে উত্তরপ্রদেশ পেয়েছে ২ টাকা ৯০ পয়সা। ২০২৪ সালে তামিলনাড়ু ১ টাকা পেয়ে থাকলে উত্তরপ্রদেশ পেয়ে থাকে ৪ টাকা ৩৫ পয়সা। কেন্দ্রের বরাদ্দে তামিলনাড়ুকে বঞ্চনার অভিযোগ তুলেছেন মন্ত্রী। উল্লেখ্য, থিয়াগা এর আগে তামিলনাড়ুর অর্থমন্ত্রী ছিলেন।

প্রাক্তন অর্থমন্ত্রীর মতে, এত বরাদ্দ সত্ত্বেও তামিলনাড়ু জিডিপি উত্তরপ্রদেশের তুলনায় নীচে নেমে গিয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে, এভাবে অন্য রাজ্যের ট্যাক্সের টাকা ঢালা সত্ত্বেও উত্তরপ্রদেশ কেন জি়ডিপিতে সাম্য বজায় রাখতে পারছে না? কবে এই তারতম্যের শেষ হবে?" মন্ত্রীর আরও দাবি, "জনসংখ্যা বেশি হওয়া সত্ত্বেও উত্তর ভারতের রাজ্যগুলি তাদের মাথাপিছু আয় বাড়াতে পারছে না। দরিদ্রদের সঙ্গে এরকমটা চলতে থাকলে এই দেশের কোনও ভবিষ্যৎ নেই।"
এরপরে বিজেপিকে একহাত নিয়ে মন্ত্রী বলেন, "আমরা আঞ্চলিক দল। তাই আমাদের হাতে কিছুই নেই। দিল্লির মসনদে যে দল বসে রয়েছে তাদের উচিত আমাদের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা না করে উত্তর ভারতের রাজ্যগুলির মাথাপিছু আয় বৃদ্ধিতে নজর দেওয়া।" কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে ব্ল্যাকমেল বা প্রতারণার অভিযোগ তোলেন মন্ত্রী। ডিলিমিটেশন ইস্যু নিয়ে সরাসরি নিশানা করে মন্ত্রীর বক্তব্য, "দিল্লির সংসদে প্রতিনিধির সংখ্যা আমরা কোনওভাবেই খোয়াতে চাই না।"
উত্তর ভারতের সঙ্গে বারবার তুলনা টেনে মন্ত্রী বলেন, "তামিলনাড়ু জাতীয় শিক্ষানীতি গ্রহণ করল কি করল না তা নিয়ে কিছু আসে যায় না। কিন্তু উত্তরপ্রদেশ ও বিহারের মানুষদের কমপক্ষে একটি ভাষা কি সঠিকভাবে কেন্দ্র শিখাতে পারবে? স্বাক্ষরতার হার বাড়াতে পারবে কেন্দ্র? প্রকৃত সংবিধানে শিক্ষাকে রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত বিষয় হিসেবে দেখানো হয়েছে। গত ৭৫ বছরে তাই শিক্ষার মানটাই আলাদা ছিল। আমরা তাই প্রথম দিন থেকেই স্পষ্ট অবস্থান রেখেছি। দিল্লিতে বসে অন্য কেউ বলে দিতে পারে না, আমরা কীভাবে রাজ্যে শিক্ষাব্যবস্থা পরিচালনা করব।"












Click it and Unblock the Notifications