Air Pollution: বায়ুদূষণের জেরে বাড়ে মানসিক অবসাদ! বলছে গবেষণা, কীভাবে মিলবে প্রতিকার?
Air Pollution: শুধু ফুসফুস নয়, বাতাসে দূষণের জেরে ক্ষতি হতে পারে মানসিক স্বাস্থ্যেরও। রোজ বাতাসের সঙ্গে হাজারো দূষিত পদার্থ শরীরে ঢুকে প্রভাব ফেলতে পারে আমাদের মস্তিষ্কে। বিশেষজ্ঞদের মতে, দূষিত বাতাসে দীর্ঘক্ষণ থাকলে অবসাদ আরও বাড়ে। পরিবেশ বিজ্ঞান ও ইকোটেকনোলজি সংক্রান্ত একটি গবেষণায় সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে এমনই তথ্য।
হারবিন মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় ও ক্র্যানফিল্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে ওই গবেষণাটি করা হয়েছে। সাত বছর ধরে চিনের ৪৫ ঊর্ধ্ব নাগরিকদের উপর গবেষণা চালানো হয়েছে। সেখানে পরীক্ষা করে দেখা হয়েছে দূষিত বায়ুর বেশ কিছু উপাদান শরীরে কীভাবে বিরূপ প্রতিক্রিয়া ফেলে। গবেষণা শেষে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, দূষিত বায়ুর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকারক সালফার ডাই অক্সাইড (SO₂)। এটি শরীরে প্রবেশ করে হীনমন্যতার মাত্রা মারাত্মভাবে বাড়িয়ে দিতে পারে।

পাশাপাশি মানসিক বিভিন্ন সমস্যার জন্য ভিলেন হল কার্বন মনো অক্সাইড। তাই প্রবলভাবে দূষিত পরিবেশে থাকলে অবসাদের মাত্রা আরও বাড়ে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। স্রেফ তাই নয়, দূষিত বায়ুতে নিঃশ্বাস নিলে কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রে পর্যন্ত নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। স্ট্রেসের মাত্রাও বাড়িয়ে তুলতে পারে। প্রভাব জাল বিস্তার করতে পারে রক্ত সঞ্চালনেও। যদিও কীভাবে মানসিক স্বাস্থ্যে বায়ুদূষণের প্রভাব পড়ে, সেনিয়ে আরও গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে ওই রিপোর্টে।
অবসাদ কী ও কোন ক্ষেত্রে হয়?
কোনও কাজে মনোযোগ না দেওয়া ও সবসময় উদাস থাকাই হচ্ছে অবসাদের লক্ষণ। ক্লিনিক্যাল ডিপ্রেশনের জেরে অনেক সময় মানসিক উৎকণ্ঠা, ক্লান্তিভাব, বিরক্তিভাব, অনিদ্রা ও অনাগ্রহের প্রবণতা বাড়ে। শিশু, কিশোর থেকে প্রবীণ নাগরিকরা সকলেই অবসাদে ভুগতে পারেন। তবে বিভিন্ন রিস্ক ফ্যাক্টরের কারণে অবসাদের প্রবণতা আরও বাড়তে পারে। যেমন স্নায়ুর রোগ, স্ট্রোক, অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী থাকা, ক্যানসার ও শরীরে ব্যথা জাতীয় রোগের ক্ষেত্রে অবসাদ আরও বাড়ে।
অবসাদের প্রতিকার কী?
সাইকোথেরাপি, ব্রেন স্টিমুলেশন থেরাপি ইত্যাদির মাধ্যমে অবসাদ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এছাড়াও পর্যাপ্ত ওষুধ নেওয়ার মাধ্যমেও অবসাদ কাটানো যায়। ঘরোয়া কিছু উপায়েও অবসাদ থেকে সহজেই মুক্তি পাওয়া যায়। যেমন নিত্যদিন শরীরচর্চা করা, পর্যাপ্ত ঘুমোনো, পুষ্টিকর খাবার খাওয়া, অ্যালকোহল থেকে বিরত থাকা ও পছন্দের মানুষদের সঙ্গে কথা বলায় অবসাদ থেকে মুক্তি মিলতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications