Air India: ১.২৫ লক্ষ লিটার জেট ফুয়েলই ঘৃতাহুতি দিল এতগুলি প্রাণ কেড়ে নেওয়ায়! কী জানালেন অমিত শাহ
এয়ার ইন্ডিয়ার দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের পাশাপাশি উদ্ধার অভিযানের চ্যালেঞ্জ নিয়ে এদিন মুখ খোলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি জানান, বিমানে প্রায় ১ লক্ষ ২৫ হাজার লিটার জ্বালানি ছিল। বিমান ভেঙে পড়ার পরে তাই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ও তাপের সৃষ্টি হয়, যার ফলে উদ্ধারকাজ অনেক কঠিন হয়ে গিয়েছে।
এক সাংবাদিক সম্মেলনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, 'বিমান যখন ভেঙে পড়ে তখন তাতে প্রায় ১.২৫ লক্ষ লিটার জেট ফুয়েল ছিল। এই বিপুল পরিমাণ জ্বালানি থাকায় আগুন লাগার ফলে ঘটনাস্থলে তাপমাত্রা এতটাই বেশি ছিল যে, সেখানে গিয়ে কাউকে বাঁচানোর কোনও সুযোগই ছিল না।' অর্থাৎ উচ্চ তাপমাত্রা উদ্ধারকার্যকে অনেক কঠিন করে তুলেছে।

বিশেষজ্ঞরা অনুমান করছেন, যে পরিমাণ জ্বালানি ছিল, তা থেকে তৈরি আগুনের তাপমাত্রা ১ হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তারও বেশি হতে পারে। যা মুহূর্তের মধ্যে সবকিছু পুড়িয়ে ছাই করে দিতে সক্ষম। এই চরম তাপমাত্রার কারণে ধ্বংসাবশেষের কাছে যাওয়াও শুরুতে কঠিন হয়ে পড়েছিল।
দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পরপরই এনডিআরএফ, দমকল বাহিনী এবং অ্যাম্বুল্যান্স দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। কিন্তু বিমানের ধ্বংসাবশেষ এবং জ্বলন্ত জ্বালানির কারণে আগুনের লেলিহান শিখা উদ্ধার কাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত করে। ফলে প্রথমে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার ওপর জোর দিতে হয়েছে। তারপরই উদ্ধারকারীরা ধ্বংসাবশেষের কাছাকাছি যেতে পেরেছেন। যদিও অলৌকিকভাবে রমেশ নামে একজন যাত্রী বিমান থেকে ঝাঁপ মেরে নিজেকে বাঁচিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু বিমান ভেঙে পড়ার পরে আগুন এবং উচ্চ তাপমাত্রার কারণে কারও পক্ষে বেঁচে থাকা সম্ভব নয় বলেই ধরে নেওয়া হয়েছে। যদিও সমানতালে উদ্ধারকার্য চলেছে।
কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানান, সরকার এই দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল সংস্থা এবং বোয়িং কোম্পানির বিশেষজ্ঞদেরও এই তদন্তে অন্তর্ভুক্ত করা হবে বলে তিনি জানান।












Click it and Unblock the Notifications