পহেলগাঁওয়ের ঘটনার জের, নির্বাসনের মুখে বেঙ্গালুরুর পরিবার, জবরদস্তি না করার নির্দেশ শীর্ষ আদালতের
পহেলগাঁওয়ের জঙ্গি হামলার পর উত্তাল গোটা দেশ। এই ঘটনায় ২৬ নিরীহ মানুষের হত্যা করা হয়। এই ঘটনার পিছনে বারবার উঠে আসছে পাক-যোগ। ভারত-পাক সম্পর্ক যখন একেবারে তলানিতে, তখন বেঙ্গালুরুতে বসবাসকারী এক ব্যক্তির পরিবারসহ পাকিস্তানে নির্বাসনের সরকারি নির্দেশের বিরুদ্ধে একটি পিটিশন দায়ের হয়। শুক্রবার সেই আবেদনের শুনানি করেছে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট।
শীর্ষ আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে, এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত আবেদনকারীর বিরুদ্ধে কোনও প্রকার কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না। পহেলগাঁওয়ের জঙ্গি হামলার পর কেন্দ্রীয় সরকারের জারি করা এক নির্দেশের সূত্রে নির্বাসনের আশঙ্কার মুখে পড়েন আবেদনকারী ও তাঁর পরিবার। তাঁদের ভারতীয় নাগরিকত্বের দাবি খতিয়ে দেখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

এদিকে আবেদনকারী আদালতে জানান, তাঁর কাছে ভারতীয় পাসপোর্ট এবং আধার কার্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ নথি রয়েছে। এই প্রেক্ষিতে বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং এন কোটিশ্বর সিং-এর ডিভিশন বেঞ্চ কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে, দ্রুত এই সমস্ত নথি যাচাই করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। যদিও এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য কোনও নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেয়নি আদালত।
আদালত আরও উল্লেখ করেছে, তাঁদের তত্ত্বাবধানে এই মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত আবেদনকারীর বিরুদ্ধে যেন কোনও প্রকার জবরদস্তি করা না হয়। আবেদনকারীর দাখিল করা পিটিশনে বলা হয়েছে, তিনি এবং জম্মু ও কাশ্মীরে বসবাসকারী তাঁর পরিবারের পাঁচ সদস্য গত ২৫শে এপ্রিল শ্রীনগরের ফরেনার্স রেজিস্ট্রেশন অফিস থেকে একটি নোটিশ পান।
ওই নোটিশে ভিত্তিহীনভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তিনি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা ১৯৯৭ সালে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন। তাঁদের ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও তাঁরা ভারতে থেকে গিয়েছেন। এই যুক্তিতে তাঁদের পাকিস্তানি নাগরিক হিসেবে চিহ্নিত করে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, পহেলগাঁওয়ের জঙ্গি হামলার পর পাকিস্তান-বিরোধী কঠোর পদক্ষেপের অংশ হিসেবে ভারত সরকার স্বল্পমেয়াদী পর্যটন ও চিকিৎসা ভিসাধারী পাকিস্তানি নাগরিকদের দেশ ত্যাগের নির্দেশ দেয়। তবে দীর্ঘমেয়াদী পারমিটধারী এবং পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত হিন্দুদের ভারতে থাকার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
ভারতের এই পদক্ষেপের পর, বুধবার ১২৫ জন পাকিস্তানি নাগরিক আটারি-ওয়াঘা সীমান্ত দিয়ে ভারতে ছেড়েছেন। এর ফলে গত সপ্তাহে মোট ৯১১ জন পাকিস্তানি নাগরিক ভারত ত্যাগ করেছেন। ভিসার ধরনের ওপর ভিত্তি করে প্রস্থানের সময়সীমা ভিন্ন ছিল। সার্ক ভিসার জন্য ২৬শে এপ্রিল, অন্যান্য ১২টি বিভাগের ভিসার জন্য ২৭শে এপ্রিল এবং চিকিৎসার জন্য আসা ভিসার ক্ষেত্রে ২৯শে এপ্রিল পর্যন্ত সময়সীমা ধার্য করা হয়েছিল।
তবে সুপ্রিম কোর্টের এই হস্তক্ষেপ আইনের শাসন এবং ন্যায়বিচারের প্রতি আস্থা বজায় রাখতে সাহায্য করবে। এখন দেখার বিষয়, কর্তৃপক্ষ কত দ্রুত এই বিষয়ে তাদের সিদ্ধান্ত জানাবে, সেদিকে তাকিয়ে গোটা পরিবার।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত












Click it and Unblock the Notifications