গালওয়ান সংঘর্ষের জের, লাদাখে সংঘাতের নিয়মে বদল আনতে চলেছে ভারত! চিনকে রুখতে কোন পদক্ষেপ?
বিগত প্রায় ৪৪ বছর ধরে ভারত-চিন সীমান্ত দেখেনি কোনও রক্তক্ষয়। সংঘর্ষ বেধেছে। শেষবার ভারত চিন সীমান্তে গুলি চলেছিল ১৯৬৭ সালে। সেই ঘটনা সিকিম সীমান্তের ছিল। অর্থাৎ, বিগত ৫৩ বছরে ভারত-চিন-এর মধ্যে একবারও কোনও গুলি চলেনি। এর পর ১৯৭৫ সালে ভারত চিন সেনার হাতাহাতি হয়, যাতে শহিদ হয়েছিলেন ভারতীয় সেনা।

সোমবার রাতের সংঘর্ষ
এরপর চিনের সঙ্গে সোমবার রাতের সংঘর্ষ বাধে ভারতীয় সেনার। যাতে শহিদ হয়েছেন ভারতীয় এক কর্নেল সহ ১৯ জন জওয়ান। চিনের তরফে ৪৩ জন সৈনিক নিহত হয়েছে বলে খবর মিলেছে। এদিকে জানা গিয়েছে চরম আবহাওয়া ও প্রতিকূলতার মধ্যে লাদাখে এখনও ৪ ভারতীয় জওয়ান জীবন যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে। তাঁদের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে।

ভারত-চিন সেনার হাতাহাতিতে দু'পক্ষই হতাহত
সেনার তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, ভারত-চিন সেনার হাতাহাতিতে দু'পক্ষই হতাহত হয়েছে৷ সেনাসূত্রে খবর, ভারতীয় সেনাকর্মীদের গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়নি৷ চিনা জওয়ানদের সঙ্গে হাতাহাতিতে মৃত্যু হয়েছে৷ অর্থাৎ ৫৩ বছর পরও সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন হয়নি কোনও পক্ষে।

কী ব্যবহার করে সংঘর্ষ সেনার মধ্যে
জানা গিয়েছে যে পাথর ছোড়াছুড়িতেই দুই সেনার মধ্যে এই বিবাদ সৃষ্টি হয়। এই পরিস্থিতিতে ভারতীয় সেনা চিনকে রুখতে নিজেদের সংঘাতের নিয়ম বদলের ভআবনায় রয়েছে ভারত। জানা গিয়েছে সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন থেকে বিরত থাকতে এতদিন চিনা সেনার উপর গুলি চালানোর উপর নিষেধাজ্ঞা ছিল ভারতীয় সেনার উপর।

ভারতীয় সেনাকে আরও বেশি স্বাধীনতা দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে
তবে বর্তমান পরিস্থিতির নিরিখে ভারতীয় সেনাকে আরও বেশি স্বাধীনতা দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে এবং এই বিষয়ে খুব দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে। এদিকে সেনাকে লাদাখে বাহিনী মোতায়েন করার সমস্ত রকমের ছাড় দেওয়া হয়েছে কেন্দ্রের তরফে।

লাদাখ সীমান্তে সেনা মোতায়েন
এর আগে কাশ্মীর থেকে বিপুল সংখ্যাক সেনা লাদাখে নিয়ে যাওয়া হলেও শান্তি প্রক্রিয়ার সময় তা হটানো হয়। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে আবার সেই সেনাদের সীমান্তে মোতায়েন করা হচ্ছে বলে খবর। তাছাড়া ভারতীয় বিমান বাহিনীকেও সীমান্তবর্তী বেসে নিজেদের প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications