নরেন্দ্র মোদীর 'ব্র্যান্ড ভ্যালু' সিএএ পরবর্তী জমানাতেও অটুট! সমীক্ষার রিপোর্ট কী বলছে
অর্থনীতিতে ধাক্কা খেলেও মোদীর 'ব্র্যান্ড ভ্যালু' অটুট! সিএএ পরবর্তী জমানায় সমীক্ষার রিপোর্ট কী বলছে
সিএএ, অর্থনৈতিক মন্দার মতো একের পর এক অধ্যায় গত কয়েক মাসে দেখেছে গোটা দেশ। ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে নরেন্দ্র মোদী তখতে বসবার পর থেকে তিন তালাক সহ একাধিক পর্ব তোলপাড় করেছে রাজনৈতিক মহলকে। আদৌ সেই সমস্ত অধ্যায় মোদীর 'ব্র্যান্ড ভ্যালু'তে কি প্রভাব ফেলেছে ? এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছে 'ইন্ডিয়া টুডে-কার্ভি'র 'মুড অফ দ্য নেশান' এর সমীক্ষা।

২০২০ সালের 'মুড অফ দ্যা নেশন' কী বলছে 'ব্র্যান্ড মোদী' সম্পর্কে?
দিল্লির মসনদে বসবার পর অর্থনীতিতে চরম ধাক্কা খেয়েছে মোদী সরকার। তবে, ২০২০ সালের 'মুড অফ দ্য নেশন' বলছে ব্র্যান্ড মোদীর মূল্য কিন্তু চড়চড় করে বাড়ছে তারপর থেকে। সমীক্ষায় জানা গিয়েছে দেশের ৬৮ শতাংশ মানুষ বলছেন, মোদী খুব ভালো কাজ করছেন, আর কেউ কেউ বলছেন মোদী অসামান্য কাজ করছেন। ফলে আর্থিক ধাক্কা, জিডিপির পতন, সিএএ, এনআরসি পরবর্তী অধ্যায়ে 'মোদী'র জনপ্রিয়তায় ভাঁটা পড়েছে অল্প খানিকটা। যদি তা তুলনা করা হয় ২০১৯ সালের অগাস্ট মাসের সঙ্গে।

দেশের আস্থা সঙ্গে রয়েছে মোদীর!
'মুড অফ দ্য নেশন' এর ২০২০ সালের সাম্প্রতিক সমীক্ষা বলছে, নরেন্দ্র মোদীর পারফরম্যান্স প্রধানমন্ত্রী হিসাবে যথেষ্ট সমাদ্রিত হচ্ছে । আর তার জেরেই দেশ আস্থা রেখেছে 'মোদী'তে। সমীক্ষা বলছে, এই 'ব্র্যান্ড মোদী 'র দাপটেই আজও যদি লোকসভা ভোট হত তাহলে বৈতরণী পার করে ফেলতে পারত বিজেপি। ভোট অঙ্কে ভাঁটা পড়লেও, এনডিএ জোট মোদীকে সামনে রেখেই ৩০৩ টি আসন নিয়ে নিতে পারত।

অর্থনীতি ও মোদী প্রসঙ্গ
'মুড অফ দ্য নেশন' এর সমীক্ষা বলছে, এই মুহূর্তে দেশের মানুষ বেশ চিন্তিত অর্থনীতি নিয়ে। দেশের ৬২ শতাংশ মানুষ মনে করেন অর্থনীতি খুব খারাপ হালে রয়েছে। অন্যদিকে, ৩২ শতাংশ মানুষ মনে করেন যে অর্থনীতি আস্তে আস্তে এগিয়ে যাচ্ছে। তবে , সমীক্ষা বলছে, অর্থনীতির নিরিখে মোদী সরকারের পারফরম্যান্স অনেকটাই গিয়েছে খারাপের দিকে। ৫০ শতাংশ মানুষ এখন মনে করছেন যে অর্থনীতির নিরিখে মোদী সরকার ভালো কাজ করছে। তবে আগে অর্থনীতির নিরিখে মোদীকে দরাজ সার্টিফিকেট দিয়েছেন ৬০ শতাংশ মানুষ। এক্ষেত্রে অর্থনীতি নিয়ে মোদীর সমর্থক সংখ্যা কমেছে ১০ শতাংশ।

জম্মু ও কাশ্মীর ইস্যু এবং মোদী
দেশের ৫৮ শতাংশ মানুষ মনে করেন যে কাশ্মীর নিয়ে মোদী সরকারের পদক্ষেপ ও ৩৭০ ধারার অবলুপ্তি কাশ্মীর সমস্যার সমাধান করতে চলেছে। অন্যদিকে, ৫০ শতাংশ মানুষ মনে করেন যে কাশ্মীর নিয়ে মোদী সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা সংবিধানের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর বিরোধী।












Click it and Unblock the Notifications