ভবঘুরে গবাদি পশুদের আশ্রয়-রক্ষণাবেক্ষণে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা! দুধের উৎপাদন বাড়াতে একাধিক পদক্ষেপ যোগী সরকারের
ভবঘুরে গবাদি পশুর আশ্রয় ও রক্ষণাবেক্ষণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নির্দেশ দিয়েছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে রাজ্যে দুঘ উৎপাদন এবং সংগ্রহের অবস্থা পর্যালোচনা করার সময় এব্যাপারে তিনি নির্দেশ দেন।
সরকারি বিবৃতিতে রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, উত্তর প্রদেশে প্রাণী কল্যাণ এবং সুরক্ষার জন্য অবিরাম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। সব ধরনের গবাগি পশু পালনকারীদের উৎসাহিত করতে রাজ্যে অনেকগুলি প্রকল্প রয়েছে। যোগ্য ব্যক্তিরা যাতে সুবিধা পান, তা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে বিবৃতিতে।

সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জনগণের অনুভূতির প্রতি সম্মান জানিয়ে রাজ্য সরকার ভবঘুরে গবাদি পশুদের সুরক্ষা এবং খাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিশেষ অভিযানে ২০ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চের মধ্যে ১.২৩ লক্ষ গবাদি পশুকে সুরক্ষা প্রদান করা হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেছেন, বেশিরভার গবাদি পশুকে রক্ষা করা হয়েছে সম্ভল, মথুরা, মির্জাপুর, ফারুখাবাদ, গাজিয়াবাদ, গৌতমবুদ্ধ নগর, আমরোহা, সন্তকবীর নগর এবং শাহজাহানপুর জেলায়। গো-রক্ষায় যেসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তাতে ভাল ফল পাওয়া গিয়েছে বলেও মন্তব্য করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেছেন, পর্যায়ক্রমে সবকটি জেলায় ভবঘুরে গবাদিপশুর জন্য ব্যবস্থা উন্নত করা হবে।
সরকারি নির্দেশিকায় বলা হয়েছে প্রতিমাসের ২৫-৩০ তারিখের মধ্যে গবাদি পশু নিয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট পাঠাবেন ব্লক পশুপালন আধিকারিক, বিডিওরা। পরের মাসের ৫ তারিখের মধ্যে মুখ্য পশুপালন আধিকারি এবং মুখ্য উন্নয়ন আধিকারিক সরকারের কাছে রিপোর্ট পাঠাবেন।
মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন গবাদি পশুর জন্য যে পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ করা হচ্ছে, তা যেন ভালভাবে কাজে লাগে, তা দেখতে হবে। শুধু শুকনো খড় দিলেই হবে না, সবুজ ঘাসও দিতে হবে গবাদি পশুকে। রাজ্যের তরফে এখনও পর্যন্ত ২৭৪ টি বড় গো-রক্ষা কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। এছাড়া আগামী ছয়মাসের মধ্যে রাজ্যে ৭৫ টি বড় গবাদি পশুর প্রজননন কেন্দ্র তৈরি করা হবে।
রাজ্য সরকার বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে সহযোগিতায় কানপুর, মোরাদাবাদ, গোরক্ষপুর, আজমগড় এবং প্রয়াগরাজে দুধ প্রক্রিয়াকরণ কারখানা তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দুগ্ধজাত পণ্য অনলাইনে বিক্রির জন্য ওয়েবসাইটও খোলা হয়েছে উত্তর প্রদেশে। সেখানে বহু স্বনির্ভর গোষ্ঠী যুক্ত হয়েছেন। সেই পোর্টাল বহু কোটির ব্যবসাও করেছে।
উত্তর প্রদেশে নন্দ বাবা মিল্ক মিশন প্রকল্পের মাধ্যমে সমবায় সমিতি গঠন করে গ্রামের দুঘ উৎপাদকদের দুধ ন্যায্য মূল্যে বিক্রি করার সুবিধা প্রদান বাস্তবায়িক করা হয়েছে। দুধ উৎপাদনকারীদের আরও বেশি করে সুবিধা দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে সরকারের তরফে।












Click it and Unblock the Notifications