ভারতের নারীদের সহায়তাকারী ৫ সরকারি প্রকল্প, যা পিছিয়ে পড়া নারীদের নতুন আলো দেখিয়েছে
প্রতি বছর ৮ মার্চ বিশ্বব্যাপী উদযাপিত হয় আন্তর্জাতিক নারী দিবস, যা নারীদের সাফল্যকে সম্মান জানানো এবং লিঙ্গ সমতার জন্য চলমান লড়াইকে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। আগামীকালই রয়েছে সেই দিন। ২০১৪ সাল থেকে কেন্দ্রে বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর নারী শক্তিতে অনেক পরিবর্তন এসেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নারী শক্তি বৃদ্ধিতে একাধিক কাজ করে চলেছেন বিভিন্ন ক্ষেত্রে। ফলে পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর নারীদের ক্ষেত্রেও জীবন এখন অনেকটাই সহজ।
২০২৫ সালের নারী দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় হল, নারীর ক্ষমতায়নে দ্রুত অগ্রগতির ওপর জোর দেওয়া। এক্ষেত্রে কার্যকর কৌশল, সম্পদ ও উদ্যোগের মাধ্যমে প্রকৃত পরিবর্তন আনার আহ্বান জানানো হচ্ছে সকল নারীকে। আর এই সবের মাঝে কেন্দ্রীয় সরকারের কিছু নারী কেন্দ্রিক প্রকল্প বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। যেমন -

১) মিশন ইন্দ্রধনুষ - গর্ভবতী নারী ও শিশুদের সময়মতো টিকা প্রদান নিশ্চিত করা, যা মাতৃ ও শিশু মৃত্যুর হার কমাতে সাহায্য করে।
২) কিশোরী শক্তি যোজনা - ১১-১৮ বছর বয়সী কিশোরীদের স্বাস্থ্য, পুষ্টি এবং জীবন দক্ষতা উন্নয়নে সহায়তা করা।
৩) পারিবারিক হিংসার বিরুদ্ধে সুরক্ষা - সরকার পারিবারিক হিংসায় শিকার নারীদের আইনি সহায়তা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ পদক্ষেপ নিয়েছে। তাতে বেশ খানিক কমেছে মহিলাদের ওপর হয়ে চলা পারিবারিক হিংসা।
৪) প্রধানমন্ত্রী মাতৃবন্দনা যোজনা (PMMVY) - গর্ভবতী ও স্তন্যদানকারী মায়েদের আর্থিক সাহায্য প্রদান, যা নিরাপদ মাতৃত্ব ও নবজাতকের পুষ্টি নিশ্চিত করে।
৫) প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনা (PMMY) - ক্ষুদ্র নারী উদ্যোক্তাদের জামানতবিহীন ঋণ প্রদান করে তাদের ব্যবসা স্থাপন ও সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি করা।
নারী দিবসের তাৎপর্য
১৯৭৫ সালে জাতিসংঘের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির পর, আন্তর্জাতিক নারী দিবস নারীর সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সাফল্যের স্বীকৃতির দিন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই দিনটি নারীর ক্ষমতায়ন, লিঙ্গ সমতা এবং বৈষম্য দূরীকরণের লক্ষ্যে কাজ করা একটি বিশ্বজুড়ে আন্দোলনের প্রতীক। তাই এবারের নারী দিবসে প্রতিজ্ঞা হোক 'নারীর ক্ষমতায়নে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া!'












Click it and Unblock the Notifications