Earthquake: দোলের ভোরে জোরালো ভূমিকম্প! কেঁপে উঠল তিন রাজ্য, রিখটার স্কেলে মাত্রা ৫.২
Earthquake: দোলযাত্রার সকালে ভূমিকম্প। কাকভোরে কেঁপে উঠল উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকা। লাদাখের কার্গিলে ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির তরফে জানানো হয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীর ছাড়াও হিমাচল প্রদেশ, চণ্ডীগড়ে অনুভূত হয়েছে জোরালো কম্পন। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৫.২। ভূগর্ভে ১৫ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পের উৎসস্থল।
রাত ২টো ৫০ মিনিটে প্রথম কম্পন অনুভূত হয় বলে জানা গিয়েছে। জম্মু ও শ্রীনগর শহরেও অনুভূত হয়েছে তীব্র কম্পন। রাতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভূমিকম্প নিয়ে আতঙ্কে পোস্ট করেন শহরবাসী। ভয়ে বাড়িঘর ছেড়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন তারা। এক্স পোস্টে এনসিএসের তরফে জানানো হয়েছে, লাদাখের কার্গিলে ভূমিকম্পের উপকেন্দ্র। ৩৩.৩৭ উত্তর অক্ষাংশ ও ৭৬.৭৬ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ বরাবর স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়।

ভারতে ভূমিকম্প প্রবণ এলাকাগুলির মধ্যে সিসমিক জোন চারের মধ্যে পড়ে লেহ ও লাদাখ। যার অর্থ হল অত্যন্ত ভূমিকম্প প্রবণ এলাকা এগুলি। এখানে ভূমিকম্পের ফলে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। হিমালয়ের নবীন শিলার উপর অবস্থিত এই এলাকার নিচে রয়েছে সচল টেকটনিক পাত। আর তাই ঘন ঘন ভূমিকম্প হয় লেহ ও লাদাখে। তবে শুক্রবার রিখটার স্কেলে মাত্রা ৫.২ হওয়ায় বেশ জোরালো কম্পন অনুভূত হয়েছে বলেই খবর।
ইতিমধ্যেই আফটারশকের সম্ভাবনা নিয়ে এলাকাবাসীকে সতর্ক করেছে স্থানীয় প্রশাসন। সতর্ক থেকে নিয়ম মেনে চলতে নির্দেশ দিয়েছে তারা। তবে এলাকায় কোনও বহুতল বা নির্মাণে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভূগর্ভের উপরের স্তরের টেকটনিক প্লেটগুলির গতিবিধির উপর নির্ভর করে কোনও স্থানের ভূমিকম্পের প্রবণতা। তা নির্ধারণ করেই দেশের ভূমিকম্প প্রবণ স্থানগুলি চিহ্নিত করা হয়।
ব্যুরো অফ ইন্ডিয়ান স্ট্যান্ডার্ডসের তরফে দেশের মধ্যে চারটি ভাগে ভূমিকম্প প্রবণ এলাকাগুলিকে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে জোন ফাইভে সবচেয়ে বেশি ভূমিকম্প হয় ও সবচেয়ে মারাত্মক প্রভাব পড়ে। জোন টুয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কম ও মৃদু ভূমিকম্প হয়। প্রসঙ্গত, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি এমনই ভোরবেলা কেঁপে ওঠে অসমের মরিগাঁও জেলা। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৫। গুয়াহাটি ও রাজ্যের অন্যত্র অনুভূত হয় কম্পন।












Click it and Unblock the Notifications