Exam Paper Leak: বিহারের প্রশ্নফাঁসে বাংলা যোগ, ধৃত তিন! নিট কেলেঙ্কারিতেও জড়িত ধৃতরা?
Bihar Police Constable Exam Paper Leak: সর্বভারতীয় পরীক্ষা নিটের প্রশ্নপত্র (NEET Paper Leak) ফাঁসের ঘটনায় উত্তাল জাতীয় রাজনীতি। যদিও এই ঘটনার তদন্তভার সিবিআইকে দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রক। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে একাধিক জনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে।
আর এর মধ্যেই বিহার পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসে (NEET Paper Leak) বড় সাফল্য অর্থনৈতিক অপরাধ ইউনিট (EOU) -এর। এই ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করা হল। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে ধৃত চারজনের মধ্যে তিনজনই বাংলার বলে জানা গিয়েছে।

যার মধ্যে একজন নিটের প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে যুক্ত বলেও অনুমান তদন্তকারী সংস্থার। ইতিমধ্যে ধৃতদের জেরা শুরু করেছে তদন্তকারী সংস্থা। এমনকি সিবিআইও ধৃত চারজনকে জেরা করতে পারে বলে জানা গিয়েছে। বিহার পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন তৈরি, প্যাকেজিং এবং প্রশ্নপত্র পৌঁছানোর ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা ছিল কলকাতার সংস্থা Caltex Multiventure Pvt. Ltd. Kolkata।
ধৃত তিনজন এই সংস্থার আধিকারিক ছিল বলে জানা গিয়েছে। ধৃতদের নাম কৌশিক কুমার, সুমন বিশ্বাস এবং সঞ্জয় দাস বলে জানা গিয়েছে। ধৃতদের বাড়ি যথাক্রমে ২৪ পরগণা, কলকাতা বলে জানা গিয়েছে। অন্য একজন উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা।
অর্থনৈতিক অপরাধ ইউনিট (EOU) সূত্রে জানা গিয়েছে, তদন্তে জানা যায় Caltex Multiventure Pvt. Ltd. Kolkata নামে সংস্থাটি সম্পূর্ণ ভুয়ো। সংস্থার একজনও কর্মী নেই। এমনকি সংস্থার কোনও লজিস্টিক ব্যবস্থাও নেই বলে জানতে পারেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। যে কাগজ দেওয়া হয় তা সম্পূর্ণ ভুয়ো বলেও দেখা যায়। বলে রাখা প্রয়োজন, গত কয়েকদিন আগেই বিহার পুলিশের প্রশ্নফাঁসে মূল অভিযুক্ত সঞ্জীবের সঙ্গে এই সংস্থার ডিরেক্টর কৌশিক কুমার করের ভালো সম্পর্ক রয়েছে।
শুধু তাই নয়, ধৃত কৌশিক কর উত্তরপ্রদেশ এবং অরুণাচল প্রদেশের বহু পরীক্ষার পেপার ফাঁসের অভিযোগে অভিযুক্ত বলেও জানতে পেরেছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। এমনকি জেলেও গিয়েছে। আর এই কৌশিকের সঙ্গে সর্বভারতীয় পরীক্ষা নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁসে কোনও যোগ আছে কিনা সেটিও খতিয়ে দেখা হবে বলে জানা গিয়েছে।
কারণ নিটে প্রশ্ন ফাঁসে মূল অভিযুক্ত দীর্ঘদিন কলকাতায় ছিল। সেই সময় ধৃতদের সঙ্গে কোনও যোগ আছে কিনা সেটিও খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা চ্ছে। বলে রাখা প্রয়োজন, গত ১লা অক্টোবর ২০২৩-এ তারিখে বিহার পুলিশ কনস্টেবল নিয়োগ পরীক্ষা ছিল। কিন্তু তার আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায় প্রশ্ন। যার জেরে বাতিল করতে হয় পরীক্ষা।












Click it and Unblock the Notifications