আড়াই কোটি না দিলে ব্যবসায়ীকে ফাঁসিয়ে দেওয়ার ব্ল্যাকমেল, সিবিআই গ্রেফতার করল এনআইএ অফিসারকে
রীতিমতো ফাঁদ পেতে গ্রেফতার এনআইএ অফিসার। তাও আবার সিবিআইয়ের হাতে। এক পরিবারকে মিথ্যা অভিযোগে ফাঁসিয়ে দেওয়ার নাম করে মোটা টাকা দাবি করা হয়েছিল। টাকার অঙ্কটাও নেহাত কম নয়। আড়াই কোটি টাকা। টাকা সমেত গ্রেফতার করার ঘটনা সামনে এসেছে।
লাইসেন্সহীন অস্ত্র মজুতের মামলায় পরিবারকে ফাঁসিয়ে দেওয়ার চাপ দেওয়া হয়। অভিযুক্ত অফিসার হলেন ডেপুটি এসপি অজয় প্রতাপ সিং। ডেপুটি সুপারিনটেনডেন্ট অফ পুলিশকে পাটনা এনআইএ ইউনিটে পোস্ট করা হয়েছিল। তার বিরুদ্ধেই এই মোটা টাকা ঘুষ চাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। রামাইয়া কনস্ট্রাকশনের মালিক রকি যাদব টাকা সিবিআইয়ের কাছে এই অভিযোগ করেন।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর এনআইএ যাদবের বাড়িতে এনআইএ তল্লাশি করে৷ ২৬ সেপ্টেম্বর তাকে এনআইএ অফিসের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়৷ আড়াই কোটি টাকা দাবি করা হয়। পরিবারকে বাঁচাতে টাকা দিয়ে রাজিও হতে হয়। এই কথাও জানা গিয়েছে৷ এরপরে সিবিআইয়ের কাছে অভিযোগ দায়ের করা হয়।
প্রথম দফায় ২৫ লক্ষ টাকা দিতে বলা হয়৷ একটি মোবাইল নম্বরও দেওয়া হয়েছিল৷ টাকার জোগাড় করে সেই নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছিল। টাকা দিতে বিহারের ঔরঙ্গাবাদে যেতে বলা হয়েছিল। এরপর আবার ১ অক্টোবর রকি যাদবকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন অজয় প্রতাপ সিং। সেদিন ৭০ লক্ষ টাকা দাবি করা হয়। টাকা পাটনা পৌঁছে দিতে বলা হয়৷
এরপরেই সিবিআই ফাঁদ পাতে। এনআইএ টিমকেও ঘটনাটি জানানো হয়। ২০ লক্ষ টাকা গ্রহণ করা হচ্ছিল৷ সেই সময় আঁটঘাট বেঁধে সেখানে উপস্থিত হন তদন্তকারীরা। হিমাংশু ও ঋত্বিক কুমার নামে দুই এজেন্টকে গ্রেফতার করা হয়। অজয় প্রতাপ সিংকেও গ্রেফতার করা হয়। গয়া, পাটনা, বেনারসের বেশ কয়েকটি জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে। ঘুষের ২০ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications