যেন রূপকথা! কেদারনাথ বন্যায় হারিয়ে যাওয়া কিশোরী বাড়ি ফিরল ৫ বছর পর
ঠিক যেন এক রূপকথার কাহিনি। কেদারনাথের ভয়াবহ বন্যায় ভেসে গিয়েছিল কিশোরী। পাঁচ বছর পর সেই মেয়েই ফিরে ফিরে এল পরিবারের কাছে।
ঠিক যেন এক রূপকথার কাহিনি। কেদারনাথের ভয়াবহ বন্যায় ভেসে গিয়েছিল কিশোরী। পাঁচ বছর পর সেই মেয়েই ফিরে ফিরে এল পরিবারের কাছে। মেয়েকে ফিরে পেয়ে বাড়ির সদস্যরা আনন্দে আত্মহারা। তাঁর আলিগড়ের বাড়িতে উৎসবের আমেজ। তাঁদের কথায়, ঈশ্বরের অসীম করুণা। তাঁরা ফিরে পেলেন তাঁদের মেয়েকে। অলৌকিকভাবেই তাঁদের পুনর্মিলন সম্ভব হয়েছে।

আলিগড়ের বনদেবী এলাকার বাসিন্দা হরিশ চাঁদ ও শকুন্তলা দেবী। কেদারনাথের ভয়াবহ বন্যায় তাঁরা সব হারিয়েছিলেন। হারিয়েছিলেন ১২ বছরের ছোট্ট নাতনি চঞ্চলকে। চঞ্চল মানসিক প্রতিবন্ধী। তারপর কেটে গিয়েছে পাঁচ বছর। চঞ্চলকে ফিরে পাওয়ার সমস্ত আশাই তাঁরা ছেড়ে দিয়েছিলেন। এরপরই ঘটল অলৌকিক-কাণ্ড। পাঁচ বছর আগে হারানো মেয়ে ফিরে এল।
চঞ্চল তাঁর বাবা-মায়ের সঙ্গে কেদারনাথে গিয়েছিলেন। তখনই ঘটে মর্মান্তিক-কাণ্ড। ভয়াবহ বন্যার তোড়ে ভেসে যান চঞ্চলের বাবা। চঞ্চলের মা কিছুদিন পরে ফিরে আসেন। কিন্তু ফিরে আসেনি চঞ্চল। তখন তাঁর বয়স ১২ বছর। এই অবস্থায় তিনি চঞ্চলকে উদ্ধার করে জম্মুর একটি অনাথ আশ্রমে রাখা হয়। এরপর আলিগড় চাইল্ডলাইনের এনজিও-র ডিরেক্টর জ্ঞানেন্দ্র মিশ্রের তৎপরতায় সে ফিরে পেল বাড়ি-ঘর। ফিরে পেল আত্মীয়-স্বজনকে।
বেশ কয়েক মাস ধরেই ওই অনাথ আশ্রমের তরফে মেয়েটির পরিচয় জানার চেষ্টা চালাচ্ছিল। বারবার প্রশ্নের পর চঞ্চল শুধু আলিগড়ের কথা জানাতে সক্ষম হয়েছিল। সেইমতোই খোঁজখবর করা শুরু করে ওই আশ্রম কর্তৃপক্ষ। শেষমেশ তাঁরা সফল হন। তাঁরা বিধায়ক সঞ্জীব রাজার সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তাঁর সাহায্যেই মেয়েটির পরিবারকে খুঁজে পায় আশ্রয় কর্তৃপক্ষ। সবাইকে ফিরে পেলেন, প্রৌঢ় পিতার এখন একটাই দুঃখ ছেলে রাজেশকে ফিরে পেলেন না।












Click it and Unblock the Notifications