বাবাকে বাঁচাতে মরিয়া চেষ্টা, লিভারের অংশ দানের অনুমতি চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ নাবালিকা
বাবাকে বাঁচাতে মরিয়া চেষ্টা, লিভারের অংশ দানের অনুমতি চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ নাবালিকা
বাবা লিভারের সমস্যায় ভুগছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, লিভার প্রতিস্থাপন ছাড়া আর কোনও উপায় নেই। মেয়ে অসুস্থ বাবাকে লিভারের একটি অংশ দিতে চান। কিন্তু বাধ সাধছে আইন। ভারতীয় আইন অনুসারে অঙ্গ দানের ক্ষেত্রে বয়স কমপক্ষে ১৮ হবে। বাবাকে বাঁচাতে তাই আদালতের দ্বারস্থ হলেন ১৭ বছরের মেয়ে।

বাবাকে লিভারের অংশ দিতে আগ্রহী নাবালিকা
কেরলে হাইকোর্টে এক নাবালিকার একটি আবেদন জমা পড়েছে। সেখানে আবেদনকারী জানিয়েছেন, তাঁর বাবার লিভারের গুরুতর সমস্যা রয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তাঁর বাবার লিভার প্রতিস্থাপন ছাড়া আরও কোনও উপায় নেই। নাবালিকা নিজের আবেদনে জানিয়েছেন, তাঁর বয়স ১৭ বছর। কিন্তু চিকিৎসায় ক্ষেত্রে তাঁর লিভারের একটি অংশ দানে কোনও সমস্যা হবে না। তাঁর বাবা ৪৮ বছরের। পরিবারের মধ্যে তাঁর বাবা একমাত্র উপার্জনকারী। তিনি তাঁর বাবাকে লিভারের একটা অংশ দান করতে আগ্রহী বলে হাইকোর্টে আবেদন জানিয়েছেন।

চিকিৎসার ক্ষেত্রে বাধা নয় বয়স
কেরল হাইকোর্টের বিচারপতি ভিজি অরুণ বুধবার এই আবেদন গ্রহণ করেন। শুক্রবার অর্থাৎ ১৮ নভেম্বর এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। নাবালিকা আবেদনকারী জানিয়েছেন, তিনি স্বেচ্ছায় তাঁর বাবাকে লিভারের একটা অংশ দিতে চান। চিকিৎসায় কোনও সমস্যা হবে না। নাবালিকা জানিয়েছেন, তাঁর বয়স ১৮ না হওয়ায়, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁর লিভারের একটা অংশ বাবাকে সুস্থ করার জন্য নিতে অস্বীকার করেছেন।

বাধ সাধছে আইন
মানব অঙ্গ ও টিস্যু প্রতিস্থাপন আইন ২০১৪ সালে যে কোনও ভারতীয় নাগরিক অঙ্গ দান করতে পারেন। সেক্ষেত্রে দাতার বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে। আবেদনকারী জানিয়েছেন, পরিস্থিতি বিচার করে যেন তাঁকে এই আইন থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তিনি যেন এই বিপদের দিনে বাবার পাশে দাঁড়াতে পারেন। তাঁর বাবাকে লিভারের একটা অংশ দান করতে পারেন। আবেদনকারী জানিয়েছেন, তাঁর লিভারের একটা অংশ বাবার শরীরে প্রতিস্থাপন করতে যেন সংশ্লিষ্ট হাসপাতালকে নির্দেশ দেয় কেরল হাইকোর্ট। আবেদনকারী জানিয়েছেন, চিকিৎসাগত দিক থেকে তাঁর লিভারের একটা অংশ দানে কোনও অসুবিধা নেই। জানা গিয়েছে, নাবালিকা তাঁর মায়ের সাহায্যে কেরল হাইকোর্টে এই আবেদন করেছেন।

দিল্লির ঘটনার পুনরাবৃত্তি
এর আগেও দেশের বিভিন্ন আদালতে একাধিক নাবালক ও নাবালিকা পরিবারের সদস্যকে লিভারের একটা অংশ দানের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছেন। এক বছর আগে একই ধরনের ঘটনার সাক্ষী হয়েছিলেন দিল্লি হাইকোর্ট। ১৭ বছরের এক কিশোর তাঁর বাবাকে লিভারের একটি অংশ দানে অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছিলেন। কিশোর জানিয়েছিলেন, তাঁর বাবা গুরুতরভাবে লিভারের সমস্যায় ভুগছেন। চিকিৎসকরা দ্রুত লিভার প্রতিস্থাপন করার পরামর্শ দিয়েছেন। চিকিৎসাগত দিক থেকে ওই নাবালক জানিয়েছিলেন তিনি একদম সুস্থ ও লিভারের একটা অংশ দিতে কোনও সমস্যা নেই। বাধা শুধু বয়স। আবেদনের সময় ওই কিশোর নিজের ও তাঁর বাবার মেডিক্যাল রিপোর্ট দিয়েছিলেন।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত












Click it and Unblock the Notifications