ভারতে পা রাখার আগেই হাতেনাতে পাকড়াও, আগরতলায় গ্রেফতার ১০০ জন বাংলাদেশি
ঠিক দু'দিন আগেই এরাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, বাংলায় রোজ কমপক্ষে ১০০ অনুপ্রবেশকারী ঢোকে। আর স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব অনুপ্রবেশে সাহায্য করে। তাঁর কথার যতই ঝড় উঠুক না কেন ২ দিন পর সেই কথার প্রমাণ মিলল। তবে সেটা এরাজ্যে নয়, বিজেপি শাসিত রাজ্যেই ঘটল।
ত্রিপুরার আগরতলা থেকে আটক ১০০ জন বাংলাদেশি। ট্রেনে ওঠার আগেই আগরতলা স্টেশন থেকে পাকড়াও তারা। ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ভুয়ো ভারতীয় পরিচয়পত্র। ত্রিপুরার আগরতলায় ১০ রোহিঙ্গা সহ ১০০ বাংলাদেশি গ্রেফতার। সীমান্ত পারাপারে সাহায্যের অভিযোগে ৫৪ জন দালালও গ্রেফতার। প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, দিল্লি ও কলকাতায় আসার ছক কষছিল এই ১০০ জন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী।

এর আগে ত্রিপুরা হয়ে কলকাতায় আসার পথে তিন বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। রবিবার বিকেলে আগরতলা স্টেশন থেকে তাঁদের পাকড়াও করা হয়। ধৃতদের নাম ছোটন দাস, বিষ্ণুচন্দ্র দাস এবং মহম্মদ মালিক। ধৃতদের বাড়ি বাংলাদেশের নোয়াখালিতে। প্রাথমিক তদন্তে প্রকাশ, আগরতলা হয়ে কলকাতায় আসার পরিকল্পনা ছিল ধৃতদের। তাঁদের কাছ থেকেও ভারতে আসার বৈধ কোনও নথি পাননি তদন্তকারী অফিসারেরা। এদেশে থাকার কোনও বৈধ নথিপত্র না থাকায় তাঁদেরকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আর আজ ঠিক ২৪ ঘণ্টা কাটার আগে এই ১০০ জন বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করল আগরতলার পুলিশ।
এখন প্রশ্ন উঠতেই পারে বাংলাদেশিদের নজরে শুধুমাত্র বাংলাই কেন? এর বিশেষ ব্যাখ্যা গোয়েন্দা বিভাগ দিতে না পারলেও, বিরোধীরা এর জন্যে কাঠগড়ায় তৃণমূল সরকারকেই দাঁড় করাচ্ছে। বিরোধীদের মতে, এরাজ্যের সরকার কোনও কঠোর ব্যবস্থা নেয়নি বলেই বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের জন্যে এরাজ্য নিশ্চিন্তের ঠিকানা হয়ে উঠেছে। 'বাংলা জঙ্গিদের জন্যে সেফ প্যাসেজ' হয়ে উঠেছে বলে বারবার দাবি করেছেন বিরোধী দলনেতা। তাঁর সেই কথাই যেন নিত্যদিন অক্ষরে অক্ষরে মিলে যাচ্ছে। একই সাথে বাংলার বুকেও ভয় ধরাচ্ছে এই ধরনের অনুপ্রবেশের ঘটনা।












Click it and Unblock the Notifications