আলমারি খুলে পোশাক বের করতে যেতেই বেরিয়ে এল মৃতদেহ! ভয়ঙ্কর ঘটনা চুঁচুড়াতে
গত তিনদিন ধরে মিলছিল না খোঁজ! বিভিন্ন জায়গাতে কার্যত বৃদ্ধার খোঁজে হন্যে হয়ে ঘুরেছে পুলিশ। কিন্তু আজ শনিবার ঘরের ভিতরে থাকা আলামারি থেকে কাপড় বের করার জন্য ছেলে আলামারি খুলতেই আঁতকে উঠলেন! আলমারিতে কিনা আস্ত মৃতেদেহ। ঘটন
গত তিনদিন ধরে মিলছিল না খোঁজ! বিভিন্ন জায়গাতে কার্যত বৃদ্ধার খোঁজে হন্যে হয়ে ঘুরেছে পুলিশ। কিন্তু আজ শনিবার ঘরের ভিতরে থাকা আলামারি থেকে কাপড় বের করার জন্য ছেলে আলামারি খুলতেই আঁতকে উঠলেন! আলমারিতে কিনা আস্ত মৃতেদেহ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়ে যায়।
মুহূর্তে ঘটনার খবর দেওয়া হয় পুলিশে। ঘটনার খবর পেয়েই চুঁচুড়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ফের এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা।
চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে চুঁচুড়া শ্যামবাবুর ঘাট এলাকাতে। মৃতার নাম ভারতি ধারা(৬২) বলে জানা যাচ্ছে। আলমারির ভিতর কি করে ঢুকলেন ওই বৃদ্ধা সেটাই ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের! তাঁকে মেরে কেউ লুকিয়ে রেখেছিল নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ আছে? তা নিয়ে রহস্য দানা বেঁধেছে। ইতিমধ্যে পুলিশ মৃতেদহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে। গত কয়েকদিনে একের পর একে নৃশংস হত্যা-কাণ্ডে শিউরে উঠেছে দেশ। আর সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা।

বাবাকে জিজ্ঞাসা করি মা কোথায় গেল?
অন্যদিকে বৃদ্ধার ছেলে বিশ্বনাথ ধারা বলেন, মা ওই ঘরেই থাকতো। বৃদ্ধ হলে যা হয় সেরকমই বাবা-মার সঙ্গে হামেশাই ঝগড়া ঝাঁটি হত। পরশুদিন থেকে মাকে আর দেখতে পাইনি। বাবাকে জিজ্ঞাসা করি মা কোথায় গেল? বাবাও বলল জানে না। তারপর মাসির বাড়ি সহ বিভিন্ন জায়গায় খুঁজেছি। এমনকি ফেসবুকেও ছবি পোস্ট করে মায়ের খোঁজ করা হয় বলে জানান বিশ্বনাথ। কিন্ত্য খোঁজ না মেলাতে পুলিশের দ্বারস্থ হয় বলে জানান তিনি। কিন্তু আজ সকালে পুরো খেলাটাই ঘুরে যায়! কাপড় বের করতে গিয়ে দেখা যায় আলমারিতে মৃতদেহ। আর তা দেখে আকাশ ভেঙে পড়ার মতো ঘটনা। কীভাবে এই ঘটনা ঘটল বুঝতেই পারছেন না ধারা পরিবার। বিশ্বনাথ জানিয়েছেন, মা-বাবার মধ্যে ঝগড়া হলেও কোনোদিন মায়ের গায়ে হাত দিতেন না বাবা।

কোনে হেলদোল নেই
কিন্তু স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে বৃদ্ধ কাশিনাথ স্ত্রীর কাছে মদ খাওয়ার পয়সা চাইত। বৃ্দ্ধা পরিচারিকার কাজ করে যা আয় করতেন তাতে ভাগ বসাত কাশিনাথ। আর তা নিয়ে অশান্তি ছিল। স্থানীয় বাসিন্দা দেবযানি ধারা বলেন, বৃদ্ধ-বৃদ্ধা আলাদা একটি ঘরে থাকতেন। তার ছেলে বৌমা পাশের একটি বাড়িতে থাকেন। বৃদ্ধা যে নিখোঁজ হয়ে গেছে সে বিষয়ে বৃ্দ্ধ ছেলে বৌমাকে বৃদ্ধ কিছু জানায়নি। দু জনে এক সঙ্গে থাকে অথচ একজনকে পাওয়া যাচ্ছে না সে বিষয়ে তার কোনে হেলদোল নেই এটাই অবাক করেছে।

শ্বশুরের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন।
মৃতার বৌমা কাজল ধারা অবশ্য সরাসরি শ্বশুরের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছেন।তিনি বলেন,শাশুড়ি মাকে একদমই সহ্য করতে পারতেন না শ্বশুর মশাই। খারাপ খারাপ কথা বলতেন খুব ঝগড়া করতেন।আমার স্বামী ক্যাটারিং এর কাজ করে বাইরেই থাকে বেশিভাগ সময়।এই ঘটনার পর থেকে শ্বশুর মশাই তার ঘরে তালা দিয়ে রাখছিল আর বলছিল রেল লাইনে খোঁজ গিয়ে।আমার অনুমান উনি মেরে আলমারিতে ঢুকিয়ে রেখেছিলেন।












Click it and Unblock the Notifications