West Bengal Flood Situation: হু হু করে ঢুকছে জল, গৃহহীন ৪০ হাজার মানুষ! বন্যায় বিধ্বস্ত উদয়নারায়ণপুর
West Bengal Flood Situation: ডিভিসি'র ছাড়া জলে প্লাবিত হাওড়া জেলার আমতা ও উদয়নারায়ণপুরের বিস্তীর্ণ অঞ্চল। নতুন করে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগের জায়গায় পৌঁছেছে বলে জানা যাচ্ছে। ফের জল ঢুকতে শুরু করেছে। ফলে ১০ টি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ১১২টি গ্রামে জল ঢুকেছে বলে জানা যাচ্ছে। এর ফলে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ গৃহহীন বলে প্রশাসনের একটি সূত্রে জানা গিয়েছে।
এই অবস্থায় পরিস্থিতি মোকাবিলায় জোরদার তৎপরতা জেলা প্রশাসনের। জানা যাচ্ছে, প্রশাসনের তরফে ত্রান শিবির খোলা হয়েছে। উদ্ধারে নামানো হয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে। বহু গৃহহীন মানুষকে ফ্লাড সেন্টারে উদ্ধার করে নিয়ে আসা হয়েছে। প্রশাসনের তরফে কড়া নজরদারি রাখা হচ্ছে (West Bengal Flood Situation) ।

বলে রাখা প্রয়োজন, প্রবল বৃষ্টি এবং ডিভিসির জল ছাড়ার ফলে মঙ্গলবার রাত থেকেই উদয়নারায়ণপুরের একাধিক গ্রামে দামোদরের বাঁধ উপচে জল ঢুকতে শুরু করে। সকাল থেকেও একাধিক এলাকা নতুন করে প্লাবিত হয়। উদয়নারায়ণপুরের অনেক এলাকা প্লাবিত হয়।
রাজাপুর-মুন্সিরহাট রোড, উদয়নারায়ণপুর ডিহিভুরসুট রাজ্য সড়ক জলপ্লাবিত হওয়ায় যান চলাচল ব্যাহত হয়। শুধু উদনারায়ণপুরেই ৭টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে। সেখানে জলমগ্ন মানুষকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছে। জলভাসি মানুষদের উদ্ধারে এনডিআরএফ নামানো হয়েছে। আমতা-২ নম্বর ব্লকের দ্বীপাঞ্চলের ভাটোরা ও ঘোড়াবেড়িয়া-চিৎনান পুরোপুরি প্লাবিত হয়েছে। ঝামটিয়া, ঝিকিরা, কাশমলি, গাজিপুর সহ একাধিক পঞ্চায়েতের বেশিরভাগ এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
পরিস্থিতি সরজমিন করতে বুধবার আমতার কুলিয়াঘাট ও আশপাশের জলভাসি এলাকা পরিদর্শন করেন রাজ্যের জনস্বাস্থ্য কারিগরি ও পূর্তমন্ত্রী পুলক রায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন আমতার বিধায়ক সুকান্ত পাল, জেলাশাসক পি দীপাপ প্রিয়া সহ প্রশাসনের শীর্ষকর্তারা। আমতায় একটি প্রশাসনিক বৈঠকও করেন তাঁরা।
অন্যদিকে আজ বৃহস্পতিবার নতুন করে জল ছাড়তে শুরু করেছে ডিভিসি। বৃহস্পতিবার ডিভিসির বিবৃতি জানাচ্ছে, মাইথন এবং পাঞ্চেত থেকে মোট ৮০ হাজার কিউসেক জল ছাড়া হচ্ছে। এছাড়াও দুর্গাপুর ব্যারেজ থেকেও জলছাড়া হচ্ছে। এই অবস্থায় দক্ষিণবঙ্গে একাধিক জায়গায় বন্যা পরিস্থিতি আরও ভয়ঙ্কর হতে পারে আশঙ্কা। ইতিমধ্যে ময়দানে নেমে পড়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
সরজমিনে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছেন। একই সঙ্গে রাজ্যের বন্যা পরিস্থিতির জন্য ডিভিসিকে দায়ী করেন। বলেন, পরিকলইত ভাবে বাংলাকে ভাসানো হচ্ছে। পুরোটাই ম্যান মেড বন্যা বলে মন্তব্য দাবি করেন প্রশাসনিক প্রধান।












Click it and Unblock the Notifications