ডোমজুড়ে বড় ধাক্কা বিজেপির, রাজীব হারতেই অনুগামীদের বাড়িতেই রাতভর হামলার অভিযোগ
ভোটের ফলপ্রকাশের পরই রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা ঘটল হাওড়ার ডোমজুড় বিধানসভা কেন্দ্র এলাকার লিলুয়া জগদীশপুরে। রাজীব অনুগামী বেশ কয়েকজন ভোটের আগেই দলবদল করেছিলেন। সেই তালিকায় ছিলেন জগদীশপুরের পঞ্চায়েত প্রধান গোবিন্দ হাজরাও।
ভোটের ফলপ্রকাশের পরই রাজনৈতিক হিংসার ঘটনা ঘটল হাওড়ার ডোমজুড় বিধানসভা কেন্দ্র এলাকার লিলুয়া জগদীশপুরে। রাজীব অনুগামী বেশ কয়েকজন ভোটের আগেই দলবদল করেছিলেন। সেই তালিকায় ছিলেন জগদীশপুরের পঞ্চায়েত প্রধান গোবিন্দ হাজরাও।

রবিবার রাতে দুষ্কৃতিরা এসে জগদীশপুরে একটি নির্মীয়মান বিল্ডিং এবং প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়িতে ভাঙচুর চালায় বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
গোবিন্দ হাজরার অভিযোগ, রাতের ওই হামলার ঘটনায় বাড়িঘর থেকে শুরু করে ক্লাব, পার্টি অফিস, সব ভাঙচুর করা হয়। রবিবার ভোটগণনা চলাকালীন দুপুরের পর থেকেই সেখানে উত্তেজনা ছিল। বাড়ির দোতলা, তিনতলা, চারতলার জানলার কাচ ভাঙচুর করা হয়।
শুধু তাই নয়, ব্যাপক লুটপাট চালায় দুষ্কৃতিরা। তান্ডবের পর রাতে ঘটনাস্থল থেকে পালানোর সময় পাখা চেয়ার-টেবিল সব লুঠ হয়। শুরু তাই নয়, বাড়ির জানলা ভাঙচুর করা হয়। বাড়িতে ঢুকে হামলা হয়। ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
অন্যদিকে, ফল প্রকাশের পরও জারি অশান্তির আবহ। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় মারধর, বোমাবাজির ঘটনা সামনে আসছে।
কাঁকুড়গাছিতে এক বিজেপি কর্মীকে পিটিয়ে মেরে ফেলার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। মৃত বিজেপি কর্মীর নাম অভিজিত সরকার। ফল প্রকাশের দিন সেই হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। পরিবারের দাবি, পুলিশের চোখের সামনেই পিটিয়ে মারা হয় অভিজিতকে।
পরে পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করে এনআরএস হাসপাতালে নিয়ে গেলে, সেখানে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। কাঁকুড়গাছির শীতলাতলা লেনের বাসিন্দা অভিজিত বিজেপির ট্রেড ইউনিয়নের নেতা ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তৃণমূলের দুষ্কৃতীরাই ভাইকে মেরে ফেলেছে বলে জানিয়েছেন তাঁর দাদা বিশ্বজিত সরকার।
পাশাপশি ভোট মিটতেই সোনারপুরে রাজনৈতিক হিংসার বলি এক বিজেপি কর্মী। ঘটনাটি ঘটেছে সোনারপুর দক্ষিন বিধানসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত প্রতাপনগর অঞ্চলের মেটিয়ারীতে। মৃত্যু হয়েছে হারান অধিকারী নামে এক বিজেপি সমর্থকের।
এছাড়াও আহত হয়েছেন টুসী অধিকারী, রেখা অধিকারী, রাজু অধিকারী পরান অধিকারী ও বাসু অধিকারীর। তাদের অভিযোগ, ভোটের ফলাফল ঘোষনার দুপুর থেকেই এলাকায় বোমাবাজি শুরু হয়। বিজেপির পতাকা ছিঁড়া হচ্ছিল। এই ঘটনার প্রতিবাদ করায় মারধর করা হয় এক মহিলাকে।
তখন পাড়ার অন্যান্য ছেলেরা এগিয়ে এসে প্রতিবাদ জানাতেই তাদের উপরেও হামলা চালানো হয়। হামলার জেরে গুরুতর আহত হন হারান অধিকারী। তাকে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।












Click it and Unblock the Notifications