ক্রিকেট ম্যাচের ফাইনাল শেষে দুই ক্লাবের মধ্যে সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত এলাকা
ক্রিকেট ম্যাচের ফাইনাল শেষে দুই ক্লাবের মধ্যে সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত এলাকা। দুই পক্ষের বচসায় চলল গুলি, তুমুল বোমাবাজি। ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছে তিনজন আশঙ্কাজনক অবস্থায় একজনকে ভর্তি করা হয়েছে এসএসকেএম হাসপাতালে। পরিস্থিতি সামাল দিতে নামে ডোমজুড় থানার বিশাল পুলিশবাহিনী, ব়্যাফ, কমব্যাট ফোর্স। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ডোমজুড় থানার পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ডোমজুড়ের কলোরার চারাবাগান ক্লাবের মাঠে চলছিল ক্রিকেট খেলার ফাইনাল। চোদ্দটি দলের নকআউট টুর্নামেন্টে ফাইনালে উঠেছিল আয়োজক ক্লাব ও প্রতিবাদী সঙ্ঘ। খেলা চলাকালীন একটি আউট নিয়ে দুই ক্লাবের ঝামেলা শুরু হয়। দর্শকাসনের উত্তাপ এসে পৌঁছয় মাঠের ভেতরেও। খানিকক্ষণের জন্য খেলা বন্ধ হয়ে যায়। পরে আবার খেলা শুরু হলে হেরে যায় প্রতিবাদী সঙ্ঘ। ম্যাচে হেরে যাওয়ার পর হঠাৎই মিস্ত্রিপাড়া প্রতিবাদী সঙ্ঘের কিছু যুবক লাঠিসোটা, ক্রিকেটের ব্যাট এবং উইকেট নিয়ে অন্য দলের খেলোয়াড়দের উপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ।
তাদের হামলা থেকে বাদ যাননি দর্শকরাও। প্রচন্ড মারপিট বেধে যায় দু'পক্ষের মধ্যে। চলে বোমাবাজিও। বাদশা মল্লিক নামে স্থানীয় এক যুবকের মাথায় উইকেট দিয়ে মারা হলে ঘটনাস্থলেই তিনি লুটিয়ে পড়েন। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে ডোমজুড় গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে পাঠানো হয় কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে। তাঁর অবস্থা খুবই সঙ্কটজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। খবর পেয়ে ছুটে যায় ডোমজুড় থানার পুলিশ। তখনকার মতো পরিস্থিতি সামাল দেয়। ঘটনাস্থলে চলছে পুলিশের টহল।
ডোমজুড় থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। আয়োজক ক্লাবের কর্মকর্তা ইব্রাহিম মল্লিক জানান, 'খেলায় আম্পায়ার কোনও ভুল সিদ্ধান্ত নেননি। তা সত্ত্বেও পাশের পাড়ার ছেলেরা ইচ্ছাকৃতভাবে ঝামেলা করে। পুলিশ এখনও তাদের কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।'' অভিযুক্ত ক্লাব সদস্যদের সঙ্গে অবশ্য কোনওভাবেই যোগাযোগ করা যায়নি।'












Click it and Unblock the Notifications