'বিরোধীরা যাতে প্রার্থী দিতে না পারে...', তৃণমূল বিধায়কের হুঁশিয়ারি'তে বিতর্কের ঝড়
বছর ঘুরলেই পঞ্চায়েত নির্বাচন বঙ্গে! আর সেই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এখন থেকে প্রস্তুতি শুরু তৃণমূলে। তবে ২৩ এর পঞ্চায়েত নির্বাচনে ২০১৮ সালের পুনরাবৃত্তি না হয় সে বিষয়ে ইতিমধ্যে সতর্ক করা হয়েছে। এহেন বার্তার পরেই একাধিক নেত
বছর ঘুরলেই পঞ্চায়েত নির্বাচন বঙ্গে! আর সেই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এখন থেকে প্রস্তুতি শুরু তৃণমূলে। তবে ২৩ এর পঞ্চায়েত নির্বাচনে ২০১৮ সালের পুনরাবৃত্তি না হয় সে বিষয়ে ইতিমধ্যে সতর্ক করা হয়েছে। এহেন বার্তার পরেই একাধিক নেতার মুখে পঞ্চায়েত নির্বাচনে সন্ত্রাসের প্রসঙ্গ উঠে এসেছে! এমনকি ক্ষমাও চেয়েছেন।

আর এই অবস্থার মধ্যেই তৃণমূল বিধায়কের স্পষ্ট হুঁশিয়ারি! আর তা ঘিরেই সমালোচনার ঝড় রাজ্যজুড়ে।
সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন হাওড়ার ডোমজুড়ের তৃণমূল বিধায়ক কল্যাণ ঘোষ। আর সেই অনুষ্ঠানে বিধায়ককে বিরোধীদের উদ্দেশ্যে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিতে শোনা যায়। কর্মীদের উদ্দেশ্যে বিধায়ক বলছেন, ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিরোধীরা যাতে প্রার্থীই দিতে না পারে তা খেয়াল রাখতে হবে।
তবে যদি প্রার্থীও দেয় তাহলে নিশ্চিত করতে হবে যে তাঁরা কোনও যাতে ভোট না পায়। ইতিমধ্যে বিধায়কের এহেন হুঁশিয়ারি'র ভিডিও ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়াতে।
তবে ওই ভিডিও'র সত্যতা যাচাই করে দেখেনি ওয়ান ইন্ডিয়া বাংলা। তবে ওই ভিডিও সামনে আসার পরেই শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক বিতর্ক। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ইস্যুতে বারবার প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। এমনকি শাসকদল বিরোধীদের 'ধ্বংস' করতে চাইছে বলেও বারবার প্রশ্ন তুলছে। আর এই বিতর্কের মধ্যেই তৃণমূল বিধায়কের ভিডিও সামনে এসেছে! যা নিয়ে নিঃসন্দেহে অস্বস্তি বেড়েছে শাসকদলের।
তবে এই অবস্থায় বিজেপির দাবি, বারবারই বিরোধীদের উপর সন্ত্রাসের অভিযোগ করা হয়েছে। এমনকি পুরভোট কিংবা অন্যান্য উপ নির্বাচনগুলিতে যেভাবে বিরোধীদের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে, প্রার্থীদের মনোনয়ন পর্যন্ত করতে দেওয়া হয়নি। বিধায়কের হুঁশিয়ারির পর স্পষ্ট আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনে কি হতে চলেছে! দাবি বিজেপির। শুধু তাই নয়, আগামিদিনে পঞ্চায়েত নির্বাচনেও যাতে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়েই ভোট হয় সে বিষয়ে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার দাবি বঙ্গ বিজেপির।
এই প্রসঙ্গে বিজেপি'র রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, পশ্চিমবঙ্গে এমন গণতন্ত্র চলছে। তৃণমূল কংগ্রেস সেই কথাকে মান্যতা দিত না। এখন সেই দলের বিধায়করা এমন কিছু বলছেন তাতে আমরাই ঠিক তা প্রমাণিত হচ্ছে।
কার্যত এই বিষয়ে সরব হয়েছে অন্যান্য বিরোধী দলগুলিও। তবে এই বিষয়ে তৃণমূলের তরফে কোনও মন্তব্য এখনও পর্যন্ত করা হয়নি। তবে ডোমজুড়ের তৃণমূল বিধায়কের দাবি, তাঁর বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা হয়েছে। পুরো ভাষণ শোনার কথা জানিয়েছেন তিনি। যদিও পালটা বিরোধীদের আক্রমণ করতে ছাড়েননি তৃণমূল বিধায়ক। কল্যাণ ঘোষ বলেন, বিরোধীদের পায়ের মাটি সরে গিয়েছে। অপপ্রচার করা ছাড়া আর কোনও কাজ নেই বলেও তোপ তাঁর।












Click it and Unblock the Notifications