Chuchura Municipality: 'গরীবের পেটে লাথি মারলে...', তোলাবাজির কথা শুনে দাওয়াই বিধায়কের
Chuchura Municipality: হুগলি চুঁচুড়া পুরসভার এগারো নম্বর ওয়ার্ডের জগুদাসপাড়া এলাকায় বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছে দিতে পাইপ লাইন বসাচ্ছে পুরসভা। একই হোল্ডিংয়ে একাধিক শরীক থাকলে তারাও বিনামূল্যে এই জল পাবেন। বিনা পয়সায় গৃহস্থের বাড়িতে জল পৌঁছে দেওয়ার কথা, অথচ ঠিকাদার কারও থেকে দুই হাজার আবার কারও থেকে তিন হাজার টাকা করে নিচ্ছিলেন জলের লাইন দেওয়ার জন্য।
এমনকি রসিদ ছাড়া ইচ্ছেমত এই জলের লাইন দেওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ। আর সেই অভিযোগ পেয়ে জল দপ্তরের সিআইসি দিব্যেন্দু অধিকারী এবং স্থানীয় কাউন্সিলর মৌসুমী বসু চ্যাটার্জীকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদার। এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ শোনেন।

তারপর ঠিকাদারকে নিয়ে গিয়ে বাসিন্দাদের কাছ থেকে নেওয়া টাকা ফেরত করলেন চুঁচুড়ার বিধায়ক। অসিত মজুমদার বললেন, গরীব মানুষের পেটে যারা লাথি মারবে আমি তাদের পেটে লাথি মারব।
বিধায়ক বলেন, জলের লাইন বসানোর কাজ দেখার জন্য একজন নোডাল অফিসার রয়েছে, কাউন্সিলর রয়েছেন, সিআইসি রয়েছেন। কিন্তু কেউ জানে না টাকা নেওয়ার বিষয়! কার্যত অবাকই হন অসিতবাবাবু, চেয়ারম্যান বা পুরসভাতেও কেউ অভিযোগ করেনি বলে দাবি তাঁর। ঠিকাদারকে টাকা নেওয়ার জন্য রীতিমত ধমক দেন বিধায়ক।
কেন টাকা নিয়েছিলেন এ প্রশ্নে ঠিকাদার সদুত্তর দিতে পারেনি।
জগুদাসপাড়ার বাসিন্দা বিশ্বনাথ দাস বলেন, ঠিকাদার বলল পাইপ বসাতে টাকা দিতে হবে। পাইপের যা মাপ বলল হিসাব করে দেখলাম আড়াই হাজার টাকা।টাকা দিয়ে দিলাম। নমিতা দাস বলেন,রসিদ ছাড়া টাকা নিয়ে গেছে।টাকা ফেরত চেয়েছিলাম দেয়নি।বিধায়ক এসে টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করেছেন।
অন্যদিকে বিজেপি হুগলি জেলার সাধারন সম্পাদক সুরেশ সাউ বলেন,টাকা ওঠে এভাবেই। তার ভাগ যায় নেতাদের কাছে। তবে ঠিকাদার হয়ত এবার না বলে তুলেছেন। তাই টাকা ফেরৎ দিতে হল।












Click it and Unblock the Notifications