নাম-বিভ্রাটে বিভ্রান্ত ভোটাররা, পুর-নির্বাচনে এবার ‘অন্য’ লড়াইয়ে তৃণমূল-বিজেপির প্রার্থী

নাম-বিভ্রাটে বিভ্রান্ত ভোটাররা, পুর-নির্বাচনে এবার ‘অন্য’ লড়াইয়ে তৃণমূল-বিজেপির প্রার্থী

তৃণমূল ও বিজেপির লড়াই এবার নতুন মাত্রা পেয়েছে পুরসভা নির্বাচনে। প্রতীকের লড়াই তো আছেই। সেইসঙ্গে এবার উভয় দলের লড়াই এবার নাম-বিভ্রাটে ঘেঁটে ঘ। বাঁশবেড়িয়া পুরসভায় তৃণমূল ও বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন দুই বিশ্বজিৎ। বিশ্বজিৎ দাস। এই একই নামে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দলের প্রার্থীতে মহাবিপাকে ভোটাররা।

সমনামী দুই প্রার্থীর লড়াই পুরসভায়

সমনামী দুই প্রার্থীর লড়াই পুরসভায়

ইধার কা ভোট উধার হওয়ার সম্ভাবনা এবার প্রবল। তাই সাবধান দুই প্রতিরক্ষই। দুজনেই জয় পেতে মরিয়া। কিন্তু দুজনেই ভুগছেন আশঙ্কায়। নাম বিভ্রাটে যদি নিশ্চিত ভোট হাতছাড়া হয়, তাহলেই গোল বাঁধবে। জয় হাতছাড়াও হতে পারে। সমনামী দুই প্রার্থীর লড়াই ঘিরে তাই এবার টান টান উত্তেজনা।

কোন বিশ্বজিতের ঝুলি ভর্তি হয়

কোন বিশ্বজিতের ঝুলি ভর্তি হয়

হুগলির বাঁশবেড়িয়া পুরসভার বিদায়ী কাউন্সিলর তৃণমূলের বিশ্বজিৎ দাস। তাঁর বিরুদ্ধে বিজেপি এবার যে প্রার্থীকে দাঁড় করিয়েছে, তাঁর নামও বিশ্বজিৎ দাস। ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে এই ভোট-যুদ্ধের দিকে তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল। এখন দেখার কোন বিশ্বজিতের ঝুলি ভর্তি হয়, কে জয় হাসিল করে শেষ হাসি হাসে।

বিনা যুদ্ধে সূচাগ্র মেদিনী নয়

বিনা যুদ্ধে সূচাগ্র মেদিনী নয়

এই বিশ্বজিৎ বনাম বিশ্বজিৎ লড়াইয়ে দুই প্রার্থী জোরকদমে প্রচার চালাচ্ছেন। কেই কাউকে বিনা যুদ্ধে সূচাগ্র মেদিনী ছাড়তে নারাজ। জয় নিয়ে আশাবাদী দুজনেই। কিন্তু দুজনের নাম এক হওয়ায় বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে ভোটারদের মধ্যে। তবে এবারই প্রথম নয়, এর আগেও এমনটা ঘটেছে। তৃণমূলের বিশ্বজিতের বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছেন বিজেপির বিশ্বজিৎ।

নাম নয়, প্রধান লড়াইটা প্রতীকের

নাম নয়, প্রধান লড়াইটা প্রতীকের

তৃণমূলের বিশ্বজিৎ দাসই মনে করালেন ইতিহাস। তিনি বলেন ভুলে যাবেন না, ২০১৫ সালে এই বিশ্বজিৎ দাসের সঙ্গেই তাঁর লড়াই হয়েছিল। বিজেপির বিশ্বজিৎ দাসকে হারিয়ে জয়ী হয়েছিলেন তিনি। আমার বিশ্বাস মানুষ নাম নিয়ে বিভ্রান্ত হবেন না। কারণ প্রধান লড়াইটা প্রতীকের। তৃণমূলের জোড়া ফুলের প্রতীকই জয়ী হবে। জয়ের পুনরাবৃত্তি স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।

২০১৫-র পর ২০২২-এও দুই বিশ্বজিৎ

২০১৫-র পর ২০২২-এও দুই বিশ্বজিৎ

বিজেপির বিশ্বজিৎ অবশ্য চ্যালেঞ্জ ছুড়ে জানিয়েছে, এখন তারা অনেক শক্তিশালী। ২০১৫-র বিজেপি আর ২০২২-এর বিজেপি এক নয়। মানুষ প্রতীক দেখে ভোট দেবেন। তাই কেউ বিভ্রান্ত হবেন না। মানুষ এবার তাঁকেই জয়ী করে কাউন্সিলর হওয়ার সুযোগ দেবেন। মানুষের হয়ে কাজ করার সুযোগ পাব। ভোট হলে তাঁর জয় কেউ আটকাতে পারবে না। গতবার সন্ত্রাস করে তৃণমূল জিতেছিল বলে তিনি অভিযোগ করেন। অবশ্য তৃণমূল তাঁর অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়েছেন। এখন দুই দলই ২৭ ফেব্রুয়ারির দিকে তাকিয়ে। এবার কার পক্ষে রায় দেয় বাঁশবেড়িয়ার ১৪ নম্বর ওয়ার্ড।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+