সত্যজিৎ রায় বেঁচে থাকলে 'হীরক রানির দেশে' বানাতেন! শ্রীরামপুরে মমতা দিদির চালাকি ধরলেন অমিত শাহ
মা মাটি মানুষ মানে, এ রাজ্যে মোল্লা, মাদ্রাসা আর মাফিয়া। ফের একবার এইভাষাতেই তৃণমূল তথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিশানা করলেন অমিত শাহ। শ্রীরামপুর কেন্দ্রে দলের প্রার্থী কবীরশঙ্কর বসুর সমর্থনে হওয়া সভায় তিনি তৃণমূলের পাশাপাশি কংগ্রেস এবং কমিউনিস্টদেরও নিশানা করেন।
তিনি প্রশ্ন করেন ইন্ডিয়া ব্লকের চাইনিজ গ্যারান্টি চান না মোদীর গ্যারান্টি চান? শ্রীরামপুরের সভায় অমিত শাহের অভিযোগ ইন্ডিয়া ব্লক বারো লক্ষ কোটি টাকার দুর্নীতিতে যুক্ত।

বিজেপি জিতলে
অমিত শাহ বলেন, বিজেপি জিতলে বাংলায় অনুপ্রবেশ হবে না। বাংলায় কামানি বন্ধ করবে বিজেপি। তাই বাংলার মানুষকে ঠিক করতে হবে তারা অনুপ্রবেশ চান না সিএএ। তিনি বলেন, ভোটে শ্রীরামপুরে বিজেপি জিতলে সীমান্ত দিয়ে একটা পাখিও গলতে পারবে না।
তিনি বলেন, অনুপ্রবেশকারীরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভোটব্যাঙ্ক। তাদের জন্য লাল কার্পেট পিছিয়ে রাখেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দিতে চান, কিন্তু হিন্দুদের দিতে না না, বলেন অমিত শাহ।
প্রসঙ্গ রামমন্দির
রামমন্দির সম্পর্কে বলতে গিয়ে অমিত শাহ বলেন. কংগ্রেস-তৃণমূল-কমিউনিস্টরা রামমন্দির তৈরি আটকে রেখেছিল। ভোটব্যাঙ্কের কারণে এরা .রামমন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যায়নি বলেও মন্তব্য করেন তিনি। আর রামমন্দিরের উদ্বোধনের দিন কলকাতায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মিছিলের তীব্র সমালোচনা করেন অমিত শাহ।
পরিবারবাদ
অমিত শাহ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভাইপোকে মুখ্যমন্ত্রী করতে চান। আর সোনিয়া গান্ধী রাহুল গান্ধীকে প্রধানমন্ত্রী করতে চান। তিনি বলেন, ভোটে একদিকে পরিবারবাদ অন্যদিকে গরিবের সন্তান নরেন্দ্র মোদী লড়াই করছেন।
৩৭০ ধারা
তিনি বলেন, ২০১৯-এ যখন কাশ্মীর থেকে তিনশো সত্তর ধারা প্রত্যাহার করা হয়, তখন বিরোধীরা বলেছিল রক্তগঙ্গা বাইবে। গত পাঁচ বছরে সত্যিই কি তা হয়েছে? তিনি বলেন, এই ধারার ফলে কাশ্মীর পুরোপুরি ভারতের অংশ হয়েছে।
মমতা দিদির চালাকি
অমিত শাহ এদিন বলেন, সারা দেশের আশি কোটি মানুষ বিনামূল্যে রেশন পাচ্ছেন। বিনামূল্যে চাল-গম পাঠাচ্ছে মোদী সরকার। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেশনের চালের বস্তায় তাঁর নিজের ছবি ছেপে দিচ্ছেন।
অমিত শাহের মুখে সত্যজিৎ রায়
এদিন শ্রীরামপুরে অমিত শাহের মুখে উঠে আসে সত্যজিৎ রায় এবং তাঁর তৈরি হীরক রাজার দেশের কথা। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তিনি বেঁচে থাকতে নিশ্চিতভাবে হীরক রানির দেশে তৈরি করতেন। অমিত শাহ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের বিরুদ্ধে দুর্গাপুজোর বিসর্জনে অনুমতি না দেওয়ার অভিযোগ করেন।












Click it and Unblock the Notifications