২০২৬ পর্যন্ত দলটা থাকবে তো? আশঙ্কা প্রকাশ বর্ষীয়ান বামনেতার
তৃণমূল আর বিজেপি মেড ফর ইচ আদার! দুজনের মধ্যেই বোঝাপড়া আছে। এমনটাই মন্তব্য করলেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তীর। আক সোমবার ১লা মে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস।
আর সেই উপলক্ষে শিবপুরের পিএম বস্তি এলাকায় শ্রমজীবী ক্যান্টিনের উদ্বোধন করতে আসেন এই বামনেতা। আর সেখানে শাসক এবং বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন করা হয় তাঁকে। আর তাতে এমনই মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ২৪০টি আসনের টার্গেটের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছেন।

এমনকি গত কয়েকদিন আগে একই ভাবে বাংলাতে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ৩৫টি লোকসভা আসনের টার্গেট দিয়েছিলেন। আর সেই বিষয়টিকে তুলে ধরেই এদিন সুজন চক্রবর্তী বলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় লোকসভায় কোনও টার্গেট না দিয়ে বিধানসভায় টার্গেট দিচ্ছেন। তার মানে লোকসভায় বিজেপি এবং বিধানসভায় তৃণমূল।
তৃণমূল আর বিজেপি মেড ফর ইচ আদার বলে দাবি বামনেতার। এমনকি দুজনের মধ্যে বোঝাপড়া আছে বলেও এদিন মন্তব্য করেছেন সুজন চক্রবর্তী। তবে ২০২৬ পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেস থাকবে কিনা তা নিয়েও এদিন সংশয় প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ২৬ পর্যন্ত দলটা থাকবে তো! তবে ২০২৬এ অর্ধেক আসনও ওরা পাবে না বলেও এদিন মন্তব্য করেছেন বামনেতা। তাঁর কথায়, মানুষ ওদের অর্থাৎ বিজেপি এবং তৃণমূলের বোঝাপড়া বুঝে গিয়েছে।
পাশাপাশি দুর্নীতি ইস্যুতেও শাসক দলকে এদিন তীব্র আক্রমণ করেন সিপিএম নেতা। বলেন, তৃণমূল মানেই দুর্নীতি এবং অসামাজিক কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত থাকা। তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে যে মারছে সে বলছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যুগ যুগ জিও আবার যে মরছে সেও বলছে মমতা ব্যানার্জি যুগ যুগ জিও।

অন্যদিকে ইসলামপুরের প্রবীণ বিধায়ক আব্দুল করিম সাহেবের প্রসঙ্গেও এদিন কথা বলেন সুজনবাবুর। তিনি বলেন, ইসলামপুরের প্রবীণ বিধায়ক আব্দুল করিম কংগ্রেস এবং তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বিধায়ক হয়েছেন। বামফ্রন্ট আমলে যে সম্মান তিনি পেতেন এখন তার দলে সেই সম্মান পাচ্ছেন না।

বলে রাখা প্রয়োজন, আব্দুল করিমের সাহেবের সঙ্গে ক্রমশ বাড়ছে তৃণমূলের সংঘাত। একাধিক ইস্যুতে সরব হয়েছেন তিনি। এমনকি তাঁর এলাকাতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় গেলেও তাঁকে এড়িয়ে যান বিধায়ক। আর সেই বিষয়টিকে তুলে ধরেই শাসককে কটাক্ষ করলেন বামনেতা। উল্লেখ্য গত কয়েকদিন আগে স্ত্রীয়ের চাকরি বিতর্কে জড়িয়েছিলেন সুজন চক্রবর্তী।












Click it and Unblock the Notifications