Saayoni Ghosh: অভিষেকের সঙ্গে বিচারপতিদের সমালোচনায় সায়নী, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার ডাকে সাড়া দেবেন?
Saayoni Ghosh: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার সমালোচনা করেছেন তাতে ঝড় উঠেছে। এই আবহে অভিষেকের হয়ে ব্যাট ধরলেন তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভানেত্রী সায়নী ঘোষ।
বিচারব্যবস্থার একাংশের প্রতি সংশয় প্রকাশ করে সায়নী আবার নাম না করে কটাক্ষ করলেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে।

হাওড়ার বেলুড়ে দলীয় কর্মসূচিতে মুখোমুখি হয়ে সায়নীর দাবি, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব বিচারপতিদের নিয়ে যে মন্তব্য করছেন তা মানুষেরই মনের কথা। আইন ব্যবস্থার উপর মানুষের শ্রদ্ধা থাকে। তা সত্ত্বেও দেখা যাচ্ছে, সব রায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে ও বিজেপির পক্ষে যাচ্ছে। এটা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে মানুষের।
অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নাম না নিয়ে সায়নী বলেন, এখন তো দেখা যাচ্ছে বিচারপতি ইন্টারভিউ দিচ্ছেন, ফ্যাশন শো-য় হাঁটছেন! সায়নী আরও বলেন, যে রাজ্যগুলিতে বিজেপি দাঁত ফোটাতে পারছে না সেখানেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে দিচ্ছে হেনস্থা, বদনাম করার চেষ্টা করছে। আমাকে ডেকেছিল। আমি বলেছি, পঞ্চায়েত ভোট মিটলে যে কোনও দিন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রস্তুত।
পঞ্চায়েত ভোটের ফলাফল প্রসঙ্গে সায়নী বলেন, বাংলায় ৬৪ হাজার বুথে সন্ত্রাস করে তো আর তৃণমূল জেতেনি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন শান্তিপূর্ণভাবে উৎসবের মেজাজে যাতে ভোট হয়। রাজ্যের প্রতিটি জায়গা লক্ষ্য রাখা সম্ভব নয়। এর জন্য নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন রয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানোয় ব্যর্থতার দায়ও চাপানো হচ্ছে তৃণমূলের ঘাড়ে।

বিরোধীদের কটাক্ষ করে সায়নী বলেন, ওদের কোনও ভিশন নেই। বাঁচিয়ে রেখেছে টেলিভিশন। যতদিন টেলিভিশন আছে ততদিন বিরোধীরা আছে। মানুষের প্রাণ চলে যাক সেটা কারও কাছেই কাঙ্ক্ষিত নয়। কিন্তু এটা পরিষ্কার, বিরোধীরা সন্ত্রাসের পরিবেশ তৈরি করেছে। শুভেন্দু অধিকারী বলছেন ৩৫৫ ধারা জারি করার পথ নাকি তাঁর জানা আছে।
২০১৮ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোট লুঠের অভিযোগ উঠেছিল। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে ধাক্কা খায় তৃণমূল। তবে আগামী বছর তেমনটা আর হবে না বলেই দাবি সায়নীর। তাঁর কথায়, মানুষ উন্নয়নের নিরিখে ভোট দেবেন। মন কি বাত নয়, কাম কি বাতের উপর নির্ভর করে ভোট দেবেন।
সায়নী বলেন, রাম, বাম, শ্যাম, ভাম সকলে মিলে তৃণমূলকে কর্নার করার চেষ্টা করছে। কারণ তারা একা তৃণমূলের সঙ্গে পেরে উঠছে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাঘিনী। তৃণমূলের পিছনে লাগার চেষ্টা হলেও তাতে কোনও লাভ হবে না।












Click it and Unblock the Notifications