ট্রেনের মধ্যেই খুন হলেন যাত্রী! রেল পুলিশ কিছুই টের পেল না! হাওড়া স্টেশনে হাড়হিম ঘটনা
হাড়হিম করা ঘটনা। হাওড়া স্টেশনে প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে আছে ট্রেন। রেল পুলিশ রুটিন তল্লাশি করছিল৷ চাদর জড়ানো অবস্থায় শুয়ে থাকতে দেখা যায়। চাদর সরাতেই দেখা যায় শরীরে চাপ চাপ রক্ত। হাওড়া স্টেশনে রেলের কামরায় এই রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে ডাউন কাটিহার এক্সপ্রেসে এই মৃতদেহ উদ্ধার হয়। প্রতিবন্ধী কামরায় সেই মৃতদেহ চাদরে ঢাকা ছিল। ট্রেন এসে প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়েছিল৷ যাত্রীরা নেমেও যায়। তারপর ওই মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। তাই নিয়েই উঠেছে একাধিক প্রশ্ন।

মৃত ব্যক্তির নাম সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। তিনি হাওড়া বালির ঘোষপাড়ার বাসিন্দা। মৃতের শরীর তল্লাশি করে ট্রেনের টিকিট পাওয়া যায়নি৷ পরে তার পরিচয় জানা যায়। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় পেশায় তবলা বাদক। তিনি কাটিহার থেকে ফিরছিলেন বলে পরে জানা গিয়েছে।
পুলিশের অনুমান, ট্রেনের মধ্যেই খুন হয়েছেন ওই ব্যক্তি। শরীরের একাধিক জায়গায় আঘাতের দাগ রয়েছে। মৃতদেহ প্রতিবন্ধী কামরার আপার বার্থে চাদর চাপা দিয়ে রাখা ছিল। তাহলে কি ট্রেনের মধ্যেই এই খুনের ঘটনা? পুলিশের প্রাথমিক অনুমান তাই। চলন্ত ট্রেনেই ওই ব্যক্তি খুন হয়েছেন। মধ্য বয়সী ওই ব্যক্তিকে কেন খুন করা হল? ট্রেনের মধ্যে কি দুষ্কৃতীরা হামলা চালিয়েছিল?
ট্রেনের মধ্যে রেল পুলিশ থাকে। ওই ট্রেনেও রেল পুলিশ ছিল বলেই খবর। তাহলে তাদের কাছে খবর পৌঁছালো না কেন? হামলার সময় কামরায় কি আর কোনও যাত্রী ছিলেন না? সেই প্রশ্নও উঠছে।
পুলিশের অন্দরের খবর, মালদহের পর সম্ভবত এই খুনের ঘটনা হয়েছে। মৃতদেহ ট্রেনের মধ্যে রয়েছে। একজন ব্যক্তি খুন হয়ে গেল! কিন্তু রেল পুলিশ কর্মীদের কাছে সামান্য কিছুও কানে এল না! দীর্ঘ সময় রাস্তা মৃতদেহ চাদর চাপা দেওয়া অবস্থায় থাকল। কেউ দেখতে পেল না। বা দেখলেও সন্দেহ হল না? সেই প্রশ্ন উঠছে৷ তার সঙ্গে ফের উঠছে যাত্রী নিরাপত্তার প্রসঙ্গ।
দূরপাল্লার গাড়িতে এই ঘটনা দেখা গেল৷ তাহলে সাধারণ যাত্রীদের নিরাপত্তা কোথায়? রাতের ট্রেনে খুনের মতো মারাত্মক ঘটনা হয়ে গেল! তাই নিয়ে চর্চা শুরু হল। রেল পুলিশ এই বিষয়ে এখনও বিশেষ কোনও বার্তা দিচ্ছে না। ঘটনার পর একদিন কেটে গিয়েছে। কাউকে কি গ্রেফতার করা হয়েছে? সেই বিষয় এখনও অন্ধকারে৷












Click it and Unblock the Notifications