Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

সাইবার প্রতারণার নতুন ফাঁদ! আপনি সুরক্ষিত থাকবেন কী ভাবে, জানাল চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট

একদিকে যখন ডিজিটাল ইন্ডিয়া হচ্ছে, তখন অন্যদিকে নতুন নতুনভাবে চলছে সাইবার প্রতারণা। তবে এবার সাইবার ক্রাইম এর নতুন আতঙ্কের নাম আধার এনাবেল পেমেন্ট সিস্টেম বা এ.ই.পি.এস। প্রায় প্রতিদিন কেউ না কেউ প্রতারিত হচ্ছেন এর দ্বারা।

এমনই এক প্রতারণার স্বীকার চুঁচুড়ার বাসিন্দা অয়ন দাস। তিনি অভিযোগ করে বলেন, তাঁর এসবিআই অ্যাকাউন্ট থেকে এইপিএস এর মাধ্যমে টাকা তোলা হয়েছে। তিনি জানতেই পারেননি। একবার তোলার পর দ্বিতীয় বার চেষ্টা করা হয়। একাউন্টে টাকা কম থাকায় আর তুলতে পারেনি।

সাইবার প্রতারণা

মুম্বই থেকে এই টাকা তোলা হয়। তাঁর মোবাইলে কোনও মেসেজ আসেনি। পরে একটা অ্যাপের মাধ্যমে মেসেজ আসে। অয়নের মতো অনেকেই প্রতারিত হচ্ছেন নিজের অজান্তেই, প্রায় প্রতিদিন।

কী ভাবে হচ্ছে এই প্রতারণা? সাইবার বিশেষজ্ঞরা জানান, আধার এনাবেল পেমেন্ট সিস্টেম বা এইপিএস এর মাধ্যমে গ্রাহকের ব্যাঙ্ক একাউন্ট থেকে টাকা তোলা হয়। সর্বাধিক দশ হাজার দিনে চল্লিশ হাজার টাকা পর্যন্ত তোলা যায় এই সিস্টেমে। বিভিন্ন ব্যাঙ্কের গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্র থেকে দেশের যে কোনও প্রান্তে বাইমেট্রিকে আঙুলের ছাপ দিয়ে টাকা তোলা যায়। টাকা তোলা হলেও অনেক সময় গ্রাহক জানতেই পারেন না, মোবাইলে কোনো মেসেজ না ঢোকায়।

আধার নম্বর দিয়ে এই প্রতারণার মূলে রয়েছে আঙুলের ছাপ। আঙুলের ছাপ দিয়ে দলিল করা হয় বা কোনও কিছু কেনা হলে তা বিভিন্ন ওয়েবসাইট বা অনলাইন মাধ্যম থেকেযায়। তা যোগার করে আঙুলের ছাপ নকল করা হয়। সব থেকে ভয়ের যে ব্যাপারটা, তা হল সত্তর শতাংশ আঙুলের ছাপ মিলে গেলেই এইপিএস থেকে টাকা তোলা যায়।

সাইবার প্রতারণা

এই প্রতারণা থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে কী করণীয় তা জানালেন চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের সাইবার থানার আইসি গৌতম সাহা। তিনি বলেন, এইপিএস-এ প্রতারণা আটকাতে এম আধার অ্যাপে আধার কার্ড রেজিষ্ট্রেশন করে বাইমেট্রিক লক করে রাখতে হবে।

কোনও প্রয়োজনে আধার ব্যবহার করতে হলে বায়োমেট্রিক লক ওপেন করলে তবেই অন্য জায়গায় বায়োমেট্রিক ছাপ দেওয়া যাবে। পাশাপাশি সেক্ষেত্রে ওটিপির মাধ্যমে সুরক্ষিত থাকবে আধার সম্পর্কিত লেনদেন।

আর প্রতারণার শিকার হচ্ছেন যাঁরা, তাঁদের ডিসপুট ফর্ম ফিলাপ করে জমা দিতে হবে ব্যাঙ্কে। আইসি সাইবার থানা গৌতম সাহা বলেন, সর্বদা নিজেকে সতর্ক থাকতে হবে। মোবাইলে কাউকে ব্যাঙ্কের তথ্য বা ওটিপি পিন নম্বর দেওয়া যাবে না।

চন্দননগর পুলিশের সাইবার সাইবার ক্রাইম বিভাগে গত তিন বছরে প্রায় ছয় কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগ দায়ের হয়েছে। তার মধ্যে দু কোটি টাকা উদ্ধার করে দেওয়া হয়েছে। গৌতম সাহা আরও বলেন, প্রতারিত হলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যাঙ্গে গিয়ে অভিযোগ জানাতে হবে। জানাতে হবে সাইবার ক্রাইম থানাতেও।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+