গভীর রাতে আনিস খানের ভাইয়ের ওপরে হামলা, ভর্তি হাসপাতালে! অভিযুক্ত তৃণমূল
গরুপাচার মামলা, অনুব্রত মণ্ডল, এসএসসি মামলা, পার্থ চট্টোপাধ্যায় নিয়েই চর্চা। কিন্তু চাপা পড়ে গিয়েছে আনিস খানের (Anish Khan) মৃত্যু রহস্য। শুক্রবার গভীর রাতে তাদের পরিবারের ওপরে দুষ্কৃতী হামলার অভিযোগ। হামলা করা হয়
গরুপাচার মামলা, অনুব্রত মণ্ডল, এসএসসি মামলা, পার্থ চট্টোপাধ্যায় নিয়েই চর্চা। কিন্তু চাপা পড়ে গিয়েছে আনিস খানের (Anish Khan) মৃত্যু রহস্য। শুক্রবার গভীর রাতে তাদের পরিবারের ওপরে দুষ্কৃতী হামলার অভিযোগ। হামলা করা হয়েছে আমতায় (Amta) আনিস খানের খুড়তুতো ভাই সলমন খানের (Salman) ওপরে। এই ঘটনায় তৃণমূলকেই অভিযুক্ত করেছে পরিবার। যদিও তৃণমূল (TMC) সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে।

আনিস খানের ভাইয়ের ওপরে হামলা
পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, শুক্রবার রাতে কলকাতা থেকে ফেরেন সলমন খান। খাওয়া দাওয়া করে বাথরুমের দিকে যায় সে। স্ত্রী বাথরুমে ও সে সেই সময় বাইরে ছিল। হঠাৎ টাঙি দিয়ে তার ওপরে হামলা চলে। সেই সময় চিৎকার করতেই স্ত্রী বাথরুমে থেকে বেরিয়ে আসেন। সেই সময় পালিয়ে যায় হামলাকারীরা।

হাসপাতালে ভর্তি
সঙ্গে সঙ্গে সলমন খানকে উলুবেড়িয়া মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। শরীর থেকে বেশ কিছু পরিমাণ রক্ত বেরিয়ে গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সলমন খানের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। আমতা থানার পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে সলমন খানের বয়ান রেকর্ড করে বলে জানা গিয়েছে।

শাসকদলের দিকে অভিযোগ
পরিবারের সদস্য এবং আক্রান্ত সলমন খান একবাক্যে অভিযোগ তুলেছেন শাসক তৃণমূলের দিকে। পরিবারের সদস্যদের প্রশ্ন আনিস খানকে কারা মারল, শাসক ছাড়া আর কেউ নয়। এর আগে সলমন খানের ওপরে দুবার হামলা হয়েছে। থানায় অভিযোগও জানানো হয়েছিল। যা নিয়ে কোনও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ পরিবারের। আনিসের মৃত্যুর প্রতিবাদ ও বিচার চাওয়ার কারণেই এই হামলা বলে মনে করছেন পরিবারের সদস্যরা। তাঁরা বলছেন, শাসক দলের নেতা স্কুলে মিটিং করে বলেছেন, আনিসকে মারার পরে লাশ পাওয়া গিয়েছে। কিন্তু সলমনকে মারার পরে লাশ পাওয়া যাবে না। এব্যাপারে স্থানীয় তৃণমূল নেতা হাঁসু খান এবং তার দলবলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন পরিবারের সদস্যরা।

পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ
পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ প্রতিদিনই পাড়ায় আসে। কিন্তু গত দুদিন তাদের দেখা পাওয়া যায়নি। তাঁদের আরও অভিযোগ আনিস খানের বাড়ি থেকে তাদের বাড়ি ৫-৭ মিনিটের দূরত্ব। কিন্তু আনিস খানের বাড়িতে থাকা পুলিশকে বলা হলেও, তারা সেখানে যায়নি। সলমন খানের বাবা বলছেন, আনিস খানের মৃত্যু পরে কয়েক মাস কেটে গিয়েছে। এখনও বিচার পাননি তাঁরা। দুষ্কৃতীরা মেরে পালিয়ে যাচ্ছে। কোনও নিরাপত্তা নেই। ক্ষুব্ধ সলমন খানের বাবা বলেন, এখানে থাকার থেকে পালিয়ে যাওয়া ভাল।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
ইডেনে প্রথম জয়ের সন্ধানে কেকেআর-সানরাইজার্স, দুই দলের একাদশ কেমন হতে পারে? -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
কালিয়াচক কাণ্ডে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের! 'রাজনীতি নয়, বিচারকদের নিরাপত্তাই...', কী কী বলল শীর্ষ আদালত? -
ভোটার তালিকা ইস্যুতে ফের অগ্নিগর্ভ মালদহ, সকালে ফের অবরোধ -
মালদহের ঘটনার তদন্তভার নিল সিবিআই, মমতার তোপে কমিশন -
ভোটের আবহে জলপাইগুড়িতে চাঞ্চল্য, এক্সপ্রেস ট্রেনে জাল নথি সহ ১৪ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার, তুঙ্গে রাজনৈতিক তরজা -
'১৫ দিন বাংলায় থাকব', ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর ডাক, শাহের চ্যালেঞ্জে তপ্ত রাজনীতি -
কয়লা কেলেঙ্কারির তদন্ত! দেশের বিভিন্ন শহরে আই-প্যাকের দফতর ও ডিরেক্টরের বাসভবনে ইডি তল্লাশি -
কালিয়াচকে প্রশাসনিক গাফিলতি? জেলাশাসক, পুলিশ সুপারকে শোকজ, CBI অথবা NIA তদন্তের নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট -
৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ, ৪ মহাকাশচারী নিয়ে নাসার 'আর্টেমিস ২'-এ ইতিহাসের নতুন অধ্যায় -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত












Click it and Unblock the Notifications