লকেটের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করে মমতা'র মন্ত্রী বললেন, 'ভারসাম্য হারিয়েছেন'
বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ বেচারাম মান্না'র। সিঙ্গুর থানায় অভিযোগ দায়ের। যা নিয়ে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি। গত কয়েকদিন আগেই কামারাকুণ্ডু রেল ব্রিজ উদ্বোধন করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যা নিয়ে চরম বিতর্ক তৈরি
বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ বেচারাম মান্না'র। সিঙ্গুর থানায় অভিযোগ দায়ের। যা নিয়ে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি। গত কয়েকদিন আগেই কামারাকুণ্ডু রেল ব্রিজ উদ্বোধন করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যা নিয়ে চরম বিতর্ক তৈরি হয়। আর এই বিতর্কের মধ্যেই নতুন করে এই রেলব্রিজের উদ্বোধন করে রেল।

আর এই নিয়েই শাসক-বিরোধী জোর তরজা শুরু হয়েছে। আর এর মধ্যেই লকেটের বিরুদ্ধে অভিযোগ নয়া মাত্রা যোগ করেছে বলেই দাবি।
রেলব্রিজের উদ্বোধনের মঞ্চ থেকে বেচারাম মান্না'কে তীব্র আক্রমণ করেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। বলেন, কোটি কোটি টাকা নিয়ে চাকরি দিয়েছেন বেচারাম। আর এই অভিযোগে বাড়ি ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারিও পর্যন্ত দেন সাংসদ। বলেন, সব টাকা বের করতে বাড়ি ঘেরাও করতে হবে। আর এহেন বক্তব্যকে চ্যালেঞ্জ জানান তৃণমূল নেতা। একই সঙ্গে দাবি, চাকরি দেওয়ার নাম করে কোটি কোটি টাকা নেওয়ার যে অভিযোগ তা প্রমাণ করে দেখান।
শুধু তাই নয়, সিঙ্গুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন বিধায়ক। বিজেপি সাংসদের অডিও ক্লিপ তুলে ধরে এই অভিযোগ জানানো হয়। বেচারাম মান্না জানান, তিনি লকেট চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করবেন।
তৃণমূলের মন্ত্রী'র দাবি, মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। প্রমাণ ছাড়াই এহেন মন্তব্য উনি করেছেন বলেও দাবি তাঁর। লকেটের মন্তব্যের প্রসঙ্গে আজ বুধবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি।
আর সেখানেই বিধায়ক বলেন, হুগলি থেকে ২০২৪- এর লোকসভা নির্বাচনে পরাজিত হবেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। আর সেটা উনি বুঝে গিয়েছেন। আর তা বুঝেছেন বলেই এহেন প্রমাণ ছাড়া কথা বলছেন। মিথ্যা প্রচার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি মন্তব্য প্রমাণ করে দেখারও হুঁশিয়ারি এদিন শোনা যায় মন্ত্রীর বক্তব্যে।
তাঁর দাবি, মানুষের সামনে যখন বলেছেন এমন এখন প্রমাণ দিতে হবেই। বেচারাম মান্না বলেন, লকেট দেবীর জানা দরকার, আমি টাটার মত পুঁজিপতিদের কাছে মাথানত করিনি। রাজনৈতিক ভাবে লড়াই না করতে পেরে এখন মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে বলে দাবি তাঁর।
বলে রাখা প্রয়োজন কামারাকুণ্ডু রেল ব্রিজ উদ্বোধন নিয়ে চরম সংঘাতে কেন্দ্র এবং রাজ্য। রেলের অভিযোগ, এই ব্রিজ তৈরিতে ৬০ শতাংশ দেওয়া হলেও তাঁদের কাউকেই ডাকা হয়নি। এমনকি পালটা জমি-টাকা দেওয়ার দাবি জানান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। আর এই বিতর্কের মধ্যেই লকেট চট্টোপাধ্যায়ের মন্তব্য ঘিরে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি। যদিও এই বিষয়ে বিজেপি সাংসদের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।












Click it and Unblock the Notifications