হাওড়ায় ব্রিজের মাথায় হাঁটছেন এক যুবক, হাড়হিম করা ঘটনা, কী হল তারপর?
রেমালের প্রভাব কেটে ছন্দে ফিরছে হাওড়ার বাসিন্দাদের জীবন। জলযন্ত্রণা থেকে মুক্তি মিলেছে। বুধবার সকালে সাধারণ মানুষজন কাজের জন্য বেরোতে শুরু করেছে। আর সেখানেই চোখ যায় ব্রিজের উপর। রীতিমতো হইচই পড়ে যায় লোকজনদের মধ্যে।
বুধবার সকালে হাওড়ার বাঙালবাবু ব্রিজের উপরে মাথায় চড়ে বসলেন এক ব্যক্তি। বুধবার সাতসকালে এই ঘটনা নজরে আসে। কীভাবে লোকজনদের নজর এড়িয়ে ব্রিজের উপরে উঠে গেল সে? কখন উঠল সে? এই প্রশ্ন উঠেছে।

বুধবার সাতসকালে ওই কাণ্ড ঘটান এক যুবক। এদিন পথচারীরা হঠাৎই লক্ষ্য করেন ব্রিজের উপরে উঠে আছে একজন। ওই যুবক বিপজ্জনকভাবে ঘোরাঘুরি করছেন। নীচেই রয়েছে রেলের হাইটেনশন লাইন। এদিকে সেতুর উপরে দমকা হাওয়াও রয়েছে ভালোই। ফলে যে কোনও সময় ঘটে যেতে পারে বড় রকমের দুর্ঘটনা।
সাধারণ মানুষ তাকে নেমে আসার জন্য বলে। লোকজন জড়ো হয়ে যায়। হইচই শুরু হয়ে যায় নীচে। তবুও উপরে থাকা ওই ব্যক্তি ভাবলেশহীন ছিলেন। স্থানীয়রাই দমকল ও পুলিশে খবর দেয়। তারা ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায়। ওই ব্যক্তিকে নীচে নেমে আসার জন্য অনুরোধ করে পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা।
অনেকক্ষণ ধরে তাঁকে নীচে নামাতে চেষ্টা করেন সকলে। কিন্তু কারও কথাই কানে দেয়নি সে। শেষপর্যন্ত ওই দমকলের দু'জন আধিকারিক উপরে ওঠেন। ওই ব্যক্তিকে ব্রিজ থেকে নামিয়ে আনতে সক্ষম হন। ওই ব্যক্তির মানসিক ভারসাম্যহীনতা আছে। এই কথা পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে।
হাওড়া ফায়ার স্টেশনের ওসি সোমনাথ প্রামাণিক জানান, সকলের নজর এড়িয়ে এদিন ব্রিজের মাথায় উঠে পড়েছিলেন মানসিক ভারসাম্যহীন ওই যুবক। ব্রিজের নীচে রেল লাইন থাকায় ঝুঁকি ছিল। দমকল কর্মীরা তৎপরতার সঙ্গেই ওই যুবককে বুঝিয়ে-সুজিয়ে নীচে নামিয়ে আনেন। পুলিশের হাতে তাঁকে তুলে দেওয়া হয়। চিকিৎসার জন্য তাঁকে হাসপাতালে পাঠানোর প্রয়োজন রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications