Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

দূর্গা আরাধনার সঙ্গে এখানে পুজো হয় নৌকার, জেনে নিন কোথায় হয় এমন দূর্গা পূজা

দুর্গাপুজোয় অনুষ্ঠিত হয় নৌকাপুজো, রয়েছে নানা প্রথা। এমনভাবেই আজও ঐতিহ্যে অটুট কুন্ডু চৌধুরী বাড়ির দুর্গোৎসবে।

নৌকাপুজো

নৌকাপুজো


বসন্তকালে বাসন্তী পুজো, আর শরতে অকাল বোধনে দুর্গাপুজো অনুষ্ঠিত হয়। আজও দুর্গাপুজোয় নিয়ম করে নৌকাপুজো অনুষ্ঠিত হয়। এভাবেই আজও শত শত বছরের প্রথা পালিত হয় হাওড়ার মহিয়ারী কুন্ডু চৌধুরী বাড়িতে। কুন্ডু চৌধুরী বাড়ির প্রায় পৌনে তিনশো বছরের সুপ্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী পুজোর সাথে নানা রীতি কাহিনি জড়িয়ে। প্রথা মেনে উল্টোরথের দিন প্রতিমা তৈরির জন্য বাঁশ কাটা হয়।

প্রতিমা

প্রতিমা


তা দিয়েই প্রতিমা গড়া হয়। দুর্গাপূজায় আজও নিয়ম করে নৌকো পুজো হয় কুন্ডু চৌধুরী বাড়িতে।বছরে দুইবার দুর্গাপুজো, একবার বাসন্তী আর শরতে অকাল বোধনে দুর্গাপূজো। প্রায় পৌনে ৩০০ বছর পুরানো ঐতিহ্যবাহী হাওড়া মহিয়ারি কুন্ড চৌধুরী বাড়ির পুজো। মহালয়ের পরদিন থেকেই প্রতিদিন চলে চণ্ডীপাঠ।

দেবীর বোধন

দেবীর বোধন

পঞ্চম পর্যন্ত বাড়ির একতলার ঠাকুরঘর লক্ষ্মী জনার্দনের কাছে পঞ্চমী পর্যন্ত পুজো চলে। ষষ্ঠীতে মা'য়ের বোধন ঘটে। ইতিহাস ঘাঁটলে জানা যায়, হাওড়ার কুন্ডু চৌধুরী বাড়ির বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে জমিদারি ছিল। হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ, মেদিনীপুর, বর্ধমান। জমিদারি প্রথার অবসান ঘটলে কুন্ডু চৌধুরী বাড়ির বছরজুড়ে বিভিন্ন পুজা-অনুষ্ঠান চালানোর জন্য পরিবারের সদস্যদের দ্বারা এস্টেট তৈরি হয় ১৯২৭ সালে। পুজো পাঠের বিভিন্ন নিয়মের জন্য রয়েছে কুন্ড চৌধুরী বাড়ির 'পুজো অর্পণ নামা'।

কুন্ডু চৌধুরী জমিদার বাড়িতে বাসন্তী পুজো আগে থেকেই অনুষ্ঠিত হতো। সেসময়ে কুন্ডু চৌধুরী পরিবার ব্যবসার সাথে যুক্ত ছিল। নৌকোয় করে বাণিজ্য করতে যেতেন পরিবারের সদস্যরা। সেসময়ের দুর্গম নদীপথ, প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা অন্যান্য বিপদের আশঙ্কা থাকত। পরিবারের বাণিজ্যিক নৌকা ও বিপদের হাত থেকে রক্ষা পেতে এবং পরিবারের সদস্যদের বিপদমুক্ত করতেই হাওড়ার কুন্ডু চৌধুরী পরিবারে শরৎকালে অকালবোধন দুর্গাপুজো অনুষ্ঠিত হয়। নিয়ম করে দুর্গাপুজোর দশমীতে বোট অর্থাৎ নৌকা উপযোগ অনুষ্ঠিত হয়। নবমীর সন্ধ্যা থেকে পরিবারের মহিলা মা-কাকিমারা কাঠের বোটটিকে কয়েন, কড়ি, সিঁদুর নতুন গামছা দিয়ে সাজানো হয়।


দশমীর দিন পুজো করে পুনরায় নৌকাটিকে নির্দিষ্ট স্থানে রেখে দেওয়া হয়। আবার ছয় মাস পর বাসন্তী পুজোয় নবমীর দিন বের করে সাজানো হয় প্রতীকী নৌকোটিকে। সপ্তমী থেকে দশমী পর্যন্ত চার দিন নিয়ম মেনে কুমারী পুজো অনুষ্ঠিত হয়। বৈষ্ণব মতে পূজিতা হন মা দুর্গা।

আরও নিয়ম

আরও নিয়ম


পুজোর একদিন হরিনাম-সংকীর্তন বসে। অষ্টমীতে পরিবারের বিবাহিত মহিলাদের দ্বারা ধূনো পোড়া অনুষ্ঠিত হয়। বৈষ্ণব মতে পুজোয় কোনরকম পশুবলির রীতি নেই। তবে প্রথা অনুযায়ী বাতাবি লেবু বলি হয় তবে তা প্রকাশ্যে নয়। বিজয় দশমীতে আজও নিয়ম করে ১০০ নারকেল দিয়ে নারকেলের মিষ্টি তৈরি করেন পরিবারের মহিলারা।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+