মিস্টার ইন্ডিয়ার ঘড়ি কল্যাণের? দীপ্সিতা নিজেকে সোফিয়া লরেল ভাবেন? শ্রীরামপুরে সিপিএম - তৃণমূল খোঁচা
২৫ বৈশাখের সকালেও আঁচকাআঁচকি গেল না বাংলার রাজনীতির। " মিস্টার ইন্ডিয়ার ঘড়িটা হয়তো পরে আছেন।" এই বলে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করলেন দীপ্সিতা ধর। আবার সিপিএম প্রার্থীকে "মিস ইউনিভার্স" পাল্টা কটাক্ষ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
২৫ বৈশাখের সকালে এলাকায় প্রচারে বেরিয়েছিল সিপিএম - কংগ্রেস৷ তৃণমূলও প্রচার করছিল সকাল থেকে। শ্রীরামপুরে পেয়ারাপুর মুসলমান পাড়ায় আজ প্রচারে যান তৃণমূল প্রার্থী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই বড় বেলু থেকে প্রচারে শুরু করেন সিপিআইএম প্রার্থী দীপ্সিতা ধর।

সিপিএম ও তৃণমূলের প্রচার একই রাস্তায় এসে যায়। সেখানেই সাময়িক উত্তেজনা তৈরি হয়৷ একে অপরের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকে। যদিও কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রথমে চুপ করে ছিলেন। সিপিএমের প্রচার মিছিল চলে যেতেই তিনি স্লোগান দিতে শুরু করেন। " বিজেপির দালাল সিপিএম দূর হটো", স্লোগান তোলা হয়।
দীপ্সিতা ধর কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখতে পাননি৷ সিপিএম প্রার্থী বলেন, "আমি তো ওঁনাকে খুঁজছিলাম। দেখতে পাইনি৷ মনে হয় মিস্টার ইন্ডিয়ার ঘড়িটা এখনও তিনি পরে আছেন।" কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবারের ভোটে হারবেন। চার জুন ফলপ্রকাশের পর থেকে আরও রাস্তায় নামবেন। এই কথাই বলেন দীপ্সিতা।
পাল্টা খোঁচা দেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, " ও দেখবে কী করে? ও তো মিস ইউনিভার্স। নিজেকে সোফিয়া লরেল ভাবতে শুরু করেছে। কী করা যাবে? ও দেখবে কী করে? ও ব্যক্তিগতভাবে এগুলো চালিয়েই যাবে। আর আমাকেও এগুলো বলে যেতে হবে।"
এরপরেই আরও খোঁচা মেরে কল্যাণ বলেন, নয় বছর ধরে জেএনইউতে পড়াশোনা করছে। থিসিস সাবমিট করতে পারছে না। কত বড় পণ্ডিত বল। হেরে ভূত হয়ে চলে যাবে। আবার হারবে। কোনও আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত নয়৷ "












Click it and Unblock the Notifications