গলায় গাঁদার মালা, বলাগড়ে হরিনাম সংকীর্তনে মাতলেন বিজেপি প্রার্থী লকেট
চারদিকে তখন হরিনাম ধ্বনি। খোল, করতালের আওয়াজ। দুহাত তুলে নিতাইকে স্মরণ করা। কিছু সময়ের জন্য বিজেপি প্রার্থী লকেট চট্টোপাধ্যায়ও কি মোহিত হয়ে গেলেন নাম সংকীর্তনে? গলায় গাঁদা ফুলের মালা। দুহাত তুলে তিনিও তখন হরিনাম সংকীর্তনে মগ্ন।
হুগলিতে টানা পাঁচ দিন ধরে প্রচার লকেট চট্টোপাধ্যায়ের। এবারে আরও বেশি জন সংযোগে মন দিয়েছেন তিনি। তৃণমূল প্রার্থী রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় জন সংযোগে নজর কাড়ছেন। সে কারণেই কি আরও বেশি জন সংযোগ লকেটের? সেই প্রশ্ন উঠছে।

সংসদ এলাকার একাধিক মন্দিরে পুজো দেওয়া তো রয়েছেই। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সঙ্গেও মিশে চলেছেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। যেখানেই যাচ্ছেন মহিলাদের ভিড়ে বিজেপি প্রার্থীকে মিশে যেতে দেখা যাচ্ছে। এর আগে লকেট চট্টোপাধ্যায়কে দেখা গিয়েছিল রান্না করতে। খোলা আকাশের নীচে রান্না পুজোর আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানেই পৌঁছে গিয়েছিলেন লকেট।
কাঠের আঁচে মাটির উনুনে রান্না শুরু করেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। হাঁটু মুড়ে বসে সাংসদকে আগে কবে রান্না করতে দেখা গিয়েছিল? তাই নিয় প্রশ্ন তুলেছিলেন অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতারা। এবার হরিনাম সংকীর্তনে যোগ দিলেন হুগলি লোকসভা কেন্দ্রের বিদায়ী সাংসদ লকেট।
ভোট প্রচারে বেরিয়ে কীর্তন করলেন লকেট চট্টোপাধ্যায়। আজ বৃহস্পতিবার জন সংযোগে হুগলির বলাগড়ে যান বিজেপি প্রার্থী তথা বিদায়ী সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়।
বলাগড় বিধানসভার ঝেড়ো মালপাড়া এলাকায় কীর্তন চলছিল। সেই পরিচালনায় হরিসভার কীর্তনে অংশগ্রহণ করেন বিজেপি প্রার্থী লকেট। এদিন তাঁকে কীর্তন করতেও দেখা যায়।
দোরগোড়ায় ভোট। তাই জন সংযোগের মাধ্যমে মানুষের কাছে পৌঁছাতে নতুন নতুন কৌশলে প্রচার চালাচ্ছে প্রার্থীরা। লকেটও একাধিক পন্থা নিচ্ছেন। কীর্তনে বহু সাধারণ মহিলাই লকেটকে জড়িতে ধরেন। তিনিও তাদের সঙ্গে মিশেছিলেন। পা ছুঁয়ে প্রণাম করেন অনেকে। তিনি প্রণাম নিষেধ বারণ করেন। মঞ্চে ওঠেন লকেট। করতাল তুলে নেন। তারপর কীর্তনের সঙ্গে নিজেই বেশ খানিকটা সময় কীর্তন বাজান৷ তাঁর মুখেও তখন হরিনাম সংকীর্তন।












Click it and Unblock the Notifications