ফের ভোট বঙ্গে! রাজ্যপালকে নিশানায় হাওড়া পুরসভার ভোট নিয়ে ইঙ্গিত ফিরহাদের
ফের বাংলায় বাজতে চলেছে ভোটের দামামা। এবার হাওড়া পুরভোটের ইঙ্গিত দিলেন পুরমন্ত্রী তথা কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। রাজ্যপালকে নিশানা করেই তিনি ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন হাওড়া পুরসভার ভোট নিয়ে।
ফের বাংলায় বাজতে চলেছে ভোটের দামামা। এবার হাওড়া পুরভোটের ইঙ্গিত দিলেন পুরমন্ত্রী তথা কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। রাজ্যপালকে নিশানা করেই তিনি ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন হাওড়া পুরসভার ভোট নিয়ে। রবিবার হাওড়ায় তৃণমূল কংগ্রেসের এক কর্মিসভায় যোগদান করে ফিরহাদ হাকিম তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা দেন।

ফিরহাদ হাকিম বলেন, হাওড়া পুরসভার নির্বাচন আছে সামনেই। এই নির্বাচন আমরা এমনিই জিতে যাব। তার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন ফিরহাদ। তিনি বলেন, হাওড়ায় প্রচুর কাজ হয়েছে। তাই এই নির্বাচন জিততে সমস্যা হবে না। কর্মিসভায় ফিরহাদ বলেন, দাদু হাওড়ার ভোটটা আটকে রেখেছেন।
ফিরহাদ বলেন, হাওড়ায় পুরসভা নির্বাচন করার জন্য রাজভবনে গিয়েছি দু-তিনবার। তিনি আার ডাকছেন। আমাদের নেত্রী বললেই আবার যাবো। এবার গেলে হাওড়া পুরসভা ভোটটা ছেড়ে দেবেন নিশ্চয়। কয়েক দিনের মধ্যেই তা হয়ে যাবে। কলকাতার সঙ্গেই হাওড়া পুরসভা নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা হয়নি। এবার নিশ্চয় হয়ে যাবে।
ফিরহাদের কথায়, বাংলা জয় হয়ে গিয়েছে। পুরসভা নির্বাচন ও উপনির্বাচনগুলিতে আমরা জিতেউই চলেছি। এবার হাওড়া পুরসভাও আমরা দখলে রাখতে পারব। বাকি পুরসভাগুলিতেও আমরা জিতব। এদিন শুধু বাংলা বা হাওড়ার পুরসভা নির্বাচন নিয়েই তিনি মন্তব্য করে ক্ষান্ত হননি, তিনি ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচন নিয়েও তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেছেন।
ফিরহাদ বলেন, আমাদের পাখির চোখ ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন। এবার ২০২৪-এর নির্বাচে খেলা হবে। গতবার ১৮টা সিট বিজেপি পেয়েছে বাংলা থেকে। এবার বাংলার একটি সিটও বিজেপি পাবে না। মানুষ আমাদের চাইছে, আমরা সেই রিপোর্ট তৈরি করছি, নেত্রীকে সেই রিপোর্ট দেব। ২৪-এর লড়াইয়ে আমাদের এখন থেকেই ঘর গোছাতে হবে। আমরা নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে চলেছি।
ফিরহাদ হাকিম হাওড়ার মঞ্চ থেকে এদিন আরও বলেন, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু বলেছিলেন- দিল্লি চলো। কিন্তু আমরা বাংলা থেকে দিল্লি যেতে পারিনি। এবার আমরা সেই সুযোগ পেয়েছি। এবার আমরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলব দিল্লি চলো। দিল্লিতে গিয়েই আমরা থামব। আমাদের লড়াই মমতা বন্যোতাপাধ্যায়কে দিল্লিতে পৌঁছে দিয়েই শেষ হবে।
নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, পুজোর আগেই রাজ্য সরকার হাওড়া পুরনিগমের ভোট করিয়ে নিতে চাইছে। হাওড়া ও বালি পুরসভা পৃথকীকরণের জন্য এই পুরসভার ভোট আটকে রয়েছে। হাওড়া পুরসভায় ৫০টি ওয়ার্ডের সঙ্গে বালি পুরসভার ৩৫টি ওয়ার্ডেও নির্বাচন হবে। শীঘ্রই দুই পুরসভার নির্বাচন মিটিয়ে আমরা ২৪-এর প্রস্তুতি শুরু করব।












Click it and Unblock the Notifications