Fire At School: স্কুল ভর্তি ছাত্র-ছাত্রী! হঠাৎ করেই সিলিন্ডারের পাইপ ফেটে বিধ্বংসী আগুন
Fire At School: বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা অসংখ্য পড়ুয়া। মিড ডে মিলের রান্নার গ্যাসের পাইপ ফেটে আগুন। ঘটনায় গুরুতর আহত হন প্রধান শিক্ষিকা সহ দুই শিক্ষিকা। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে হাওড়ার লিলুয়ার ভট্টনগর ঘুঘুপাড়ার সারাদামণি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এই ঘটনায় স্কুলের পড়ুয়ারা সম্পূর্ণ নিরাপদ আছেন বলে জানা গিয়েছে।
তবে সাতসকালে হঠাত করে এমন আগুনে স্কুলের মধ্যে (Fire At School) আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। রীতিমত ছোটাছুটি শুরু করে দেন সবাই। যা নিয়ে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়। ঘটনার খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে আসে লিলুয়া থানার পুলিশ এবং দমকলের একটি ইঞ্জিন। গোটা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন পুলিশ আধিকারিকরা।

অন্যদিকে সম্পূর্ণ ভাবে আগুন নিয়ন্ত্রণে কিনা তা নিশ্চিত করেন দমকল আধিকারিকরা। ঘটনার খবর পেয়ে স্কুলে ছুটে আসেন অভিভাবকরাও। স্থানীয়দের দাবি, অন্যান্য দিনের মতোই এদিন সকালে স্কুল শুরু হয় হাওড়ার লিলুয়ায় ভট্টনগর ঘুঘুপাড়ার সারাদামণি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।
অন্যদিকে মিড ডে মিলের রান্না চালুর আগে গ্যাসে চা বানানোর কাজ করছিলেন কর্মীরা। আর সেই সময় হঠাত করেই গ্যাস সিলিন্ডারের পাইপ ফেটে যায় এবং তাতে দাউ দাউ করে একেবারে আগুন ধরে যায় বলে বলে দাবি স্থানীয়দের। ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন কর্মী থেকে শুরু করে শিক্ষক-শিক্ষিকারাও।
ঘটনায় গুরুতর আহত হন প্রধান শিক্ষিকা তাপসী গোস্বামী এবং সহকারী শিক্ষিকা ইমলি সাহা ব্রহ্ম। এলাকার মানুষ এবং স্কুলের অন্যান্য শিক্ষকদের তৎপরতায় প্রাথমিকভাবে আগুন নিভিয়ে ফেলা সম্ভব হয়। এরপর দমকল এসে গ্যাস সিলিন্ডারটি বাইরে করে দেয়।
আহত শিক্ষিকাদের কলকাতার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে। জানা গেছে, ওই সময় স্কুলে প্রার্থনার ঘন্টা পড়েছিল। তাই স্কুলের রান্নাঘরের কাছাকাছি কোনও ছাত্রছাত্রী সেই সময় ছিলনা। আর তাই বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে পড়ুয়ারা সকলেই রক্ষা পায়। অভিভাবকদের আশঙ্কা, যে ভাবে আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে তাতে যে কোনও সময় বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারত। স্কুলের পরিকাঠামো এবং এই সমস্ত ক্ষেত্রে বিশেষ নজর দেওয়ার দাবি অভিভাবকদের।












Click it and Unblock the Notifications