বেলা ১০টার পরও বাজারে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়! দেখেই লাঠি হাতে তাড়া পুলিশের
সারা দেশের মতো বাংলাতেও অব্যাহত করোনার চোখরাঙানি। গত ২৪ ঘন্টায় বাংলাতে করোনার সংক্রমণের নয়া রেকর্ড। স্বাস্থ্য দফতরের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ হাজারেরও বেশি মানুষ। যদিও আতংকে
সারা দেশের মতো বাংলাতেও অব্যাহত করোনার চোখরাঙানি। গত ২৪ ঘন্টায় বাংলাতে করোনার সংক্রমণের নয়া রেকর্ড।

স্বাস্থ্য দফতরের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১৭ হাজারেরও বেশি মানুষ। যদিও আতংকের মধ্যেও স্বস্তির খবর রয়েছে।
করোনাকে জয় করে বাংলায় সুস্থ হচ্ছেন অনেকেই। তবে সুস্থতার তুলনায় প্রত্যেকদিন বিশাল সংখ্যক মানুষ করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন।
এই অবস্থায় বাংলায় আংশিক লকডাউন জারি করেছে নবান্ন। একগুচ্ছ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে নবান্নের তরফে। শুক্রবার সকাল থেকেই কড়াকড়ি করা হয়েছে। সেই মতো শনিবার সকাল থেকেই কড়াকড়ি শুরু হয়েছে সর্বত্র।
কলকাতার পাশাপাশি সকাল থেকে হাওড়াতেও শুরু হয়েছে আংশিক লকডাউন। সক্রিয় রয়েছে হাওড়া সিটি পুলিশ। কিন্তু সকালে বাজারে ছিল চেনা ভীড়। তবে বেলা বাড়তেই রাস্তাঘাটে ভীড় কার্যত উধাও হয়ে যায়। কোভিড পরিস্থিতিতে এদিন সকাল থেকে হাওড়াতেও শুরু হয়েছে আংশিক লকডাউন।
সকাল ৭টা থেকে বেলা ১০টা পর্যন্ত বাজারগুলি খোলা ছিল। বাজারে ক্রেতাদের যথেষ্ট ভীড় ছিল। ফলে সময়সীমার পরেও খোলা থাকে একাধিক দোকান। এরপরই পুলিশ মাইকিং করে বাজার বন্ধ করতে নির্দেশ দেয়। এরপরেও যেখানে বাজার ও অন্যান্য দোকান ( মুদির দোকান বাদে ) খোলা ছিল সেগুলি পুলিশ এসে বন্ধ করে দেয়।
কদমতলা বাজার, কালিবাবুর বাজার, শিবপুর বাজার, গোরাবাজার, রামরাজাতলা বাজার থেকে শুরু করে বালি, বেলুড়, মালিপাঁচঘড়া, সালকিয়া সহ সর্বত্র এদিন সকাল থেকেই পুলিশের নজরদারি ছিল। পরে বেলার পর রাস্তাঘাট কার্যত ফাঁকা হতে শুরু করে।
এদিন সকাল থেকে আংশিক লকডাউনে হাওড়ার বালি বাজার এবং বালি অঞ্চলের বিভিন্ন বাজারে ক্রেতাদের ঠাসাঠাসি ভীড় লক্ষ্য করা যায়। ক্রেতা বিক্রেতারা মাস্ক পরলেও বাজারগুলিতে সোস্যাল ডিসট্যান্স মানা হয়নি বলে অভিযোগ।
এদিন আংশিক লকডাউনের আইন ভাঙার অভিযোগে বালি থানার পুলিশ বেশ কয়েক জনকে আটক করে।
অন্যদিকে, শিয়ালদহ কোলে মার্কেট পাইকারি বাজারে উপচে পড়া মানুষের ভিড়। সেখানেও মানা হচ্ছে না কোনও সোশ্যাল ডিসটেস্ট। বাজারের কর্তাদের দাবি, পাইকারি বাজার বন্ধ নিয়ে কোনও নির্দেশিকা নেই। আর সেই কারনেই খোলা।
উল্লেখ্য, আংশিক লকডাউন জারি করা হলেও সম্পূর্ণ বাজার বন্ধের পক্ষে নয় তৃণমূল সরকার। এতে মানুষের সমস্যা হতে পারে। আর সেই কারনে বাজার খোলার সময় নিরিদষ্ট করে দিয়েছে সরকার।
সকাল ৭টা থেকে ১০ টা এবং বিকেল ৩টে থেকে ৫টা পর্যন্ত খোলা থাকবে বাজার। তবে ওষুধ কিংবা চিকিৎসা সংক্রান্ত জিনিসপত্রের দোকান এবং মুদি খানার দোকান অন্য সময়েও খোলা রাখা যাবে।












Click it and Unblock the Notifications